আটপাড়া শুনই ইউপি চেয়াারম্যান পদে আ: লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ত্যাগী,বঞ্চিত নেতা ....ইকবাল ভূইয়া  

আটপাড়া শুনই ইউপি চেয়াারম্যান পদে আ: লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী ত্যাগী,বঞ্চিত নেতা ....ইকবাল ভূইয়া  

বিশেষ প্রতিনিধি :  নেত্রকোনার আটপাড়ায় জমতে শুরু করেছে ইউপি নির্বাচন। ইতিমধ্যে বিভিন্ন ফেসবুক স্ট্যাটাস, অনলাইন, প্রিন্ট মিডিয়ায় নির্বাচন  নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সরকারদলীয় প্রার্থীর সংখ্যা অন্যান্য বারের চাইতে বেশি। এদিক দিয়ে শুনই ইউনিয়নও পিছিয়ে নেই। এবার এই ইউনিয়নে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে সরকারি দল আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী শুনই ইউনিয়নের সমাজসেবী পরিবারের সন্তান, শিক্ষিত, সৎ দলের জন্য কমিটেড, ত্যাগী, বঞ্চিত, সাবেক উপজেলার তুখোড় ছাত্রলীগ নেতা বর্তমান জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি মোঃ রাশেদুল হাবিব  ভূঁইয়াা ইকবাল।
   ইতিমধ্যে তিনি দলের মনোনয়ন প্রত্যাশায়  দলীয় নেতাকর্মীসহ এলাকায় বিভিন্ন স্থানে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন। তিনি ময়মনসিংহ নাসিরাবাদ কলেজিয়েট স্কুল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে তার রাজনীতি জীবনের সূচনা হয়। ছাত্ররাজনীতির পাশাপাশি ২০০৪ সনে বিএসএস (পাস) সম্পন্ন করেন। তার দীর্ঘ  রাজনীতে বিভিন্ন সময়ে বঞ্চিত হওয়ার কারণে  উপজেলা সহ জেলার সকল নেতাকর্মীদের কাছে দীর্ঘদিনের সৎ, ত্যাগী, পরীক্ষিত, বঞ্চিত  একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক হিসেবে  পরিচিতি । ইউনিয়ন সহ উপজেলার বিভিন্ন স্থরের নেতাকর্মীদের সাথে তাঁর রাজনৈতিক জীবনী সম্পর্কে জানতে চাইলে তারা অকপটে জানান, ইকবাল আটপাড়ার ছাত্ররাজনীতির এক ত্যাগী, এবং বঞ্চিত নেতা। তারা আরো জানান, এত ত্যাগ,  বঞ্চিত, অবহেলিত থাকার পরেও রাজনীতিতে তার কখনো এক মুহূর্তের জন্যও ভাটা পড়েনি। আটপাড়া রাজনীতির অন্তিম মুহূর্তে তার শ্রম অনস্বীকার্য।  
 শুনই ইউনিয়নে চারটি ওয়ার্ড এর সমন্বয়ে শুনই গ্রামের বাসিন্দা, এক সমাজসেবী, সম্ভ্রান্ত পরিবারের সন্তান তিনি ।  ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড স্বল্প শুনই গ্রামের বাসিন্দা সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মরহুম হাবিবুর রহমান ভূঁইয়া সাহেবের দ্বিতীয় সন্তান । এলাকায় তিনি একজন সৎ, ভদ্র, পরোপকারী, এবং দলের বেলায় এক ত্যগী, বঞ্চিত নেতা হিসেবে পরিচিত। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি কেন্দ্র দখল, জননিরাপত্তা, মামলাসহ অসংখ্য দলীয় মামলার আসামি হন। ইতিপূর্বে তিনি তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক থেকে তার রাজনৈতিক জীবনের উপর স্ট্যাটাস দিয়েছেন।   তিনি উপজেলা ছাত্রলীগের  ৯২ থেকে ২০০২ পর্যন্ত  সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতে যুগ্ন সম্পাদক হিসেবে প্রায় ৭/৮ বছর সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। উপজেলা তরুণ লীগের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০৪ সালে উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ন আহবায়ক হিসেবেও নির্বাচিত হন। তিনি শুনই ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি পদে প্রার্থী হয়ে অল্প ভোটের ব্যবধানে হেরে যান। পরবর্তীতে তার রাজনীতির স্বীকৃতিস্বরূপ জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন।   এছাড়া আটপাড়া উপজেলা বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন এর সাধারণ সম্পাদক,  উপজেলা   সাংবাদিক ফোরাম ও অনলাইন রিপোটার্স ফোরামের সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।   এ ব্যাপারে তার সাথে নির্বাচনের প্রার্থীতা নিয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রাইমারি জীবন থেকে দীর্ঘ লম্বা সময় ছাত্র রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থেকেছি । হারিয়েছি জীবন থেকে দীর্ঘটা সময়।  দলের বড় ধরনের কোন পদ পদবীতে স্থান করে না নিতে পারলেও কখনো দলের আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়নি। দীর্ঘ লম্বা সময়ের দল ক্ষমতায় থাকলেও কখনো নিজের সততা এবং ব্যক্তিত্বকে বিলিয়ে দেইনি এবং দলীয় সকল সুবিধা থেকে এমনকি বিভিন্ন সময়ে রাজনৈতিক বিভিন্ন পদ থেকেও বঞ্চিত হয়েছি। জননেত্রী, মানবতার নেত্রী, দেশরতœ, সভানেত্রী, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার পরেও যারা বঞ্চিত, অবহেলিত তাদেরকে স্থানীয় নির্বাচনে জায়গা করে দিলে সেখানে আমি নিজেকে একজন শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে দাবী করি।  আমি মনোনয়ন পেলে ইউনিয়নের এক বিশাল বড় গ্রামের বাসিন্দা হিসেবে এবং ইউনিয়নে আমি, আমার দল এবং আমার পরিবারের শ্রমের মূল্যায়ন হিসেবে আমি ইনশাআল্লাহ বিজয়ী হব।   তিনি আরো জানান, আমি বিজয়ী হয়ে  বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে আটপাড়া কেন্দুয়ার সংসদ সদস্য অসীম কুমার উকিল এমপি মহোদয়ের উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় নিজেকে সম্পৃক্ত রেখে শুনই ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের মান উন্নয়নে, জুয়া, বাল্যবিবাহ, মাদক এবং সমাজের সকল কর্মকান্ডে সুস্থধারায় ফিরিয়ে আনতে নিজেকে নিয়োজিত রাখবো।