দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা সমাধানে লবঙ্গ

গরম মসলায় দারুচিনি ও এলাচের সঙ্গে আরও একটি উল্লেখযোগ্য উপকরণ হচ্ছে লং বা লবঙ্গ। খুসখুসে কাশি ও মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে লবঙ্গের উপকারিতা সবাই জানে।

কিন্তু লবঙ্গ ভিতরে ভিতরে শরীরের আরও দীর্ঘস্থায়ী কিছু সমস্যার সমাধান করে আসছে তা হয়তো অনেকেরই জানা নেই।

১। হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

হজমে সহায়তা করে এমন এনজাইম নিঃসরণের মাদ্ধমে লবঙ্গ আমাদের হজম ক্ষমতা সক্রিয় করে তোলে। এরা ফ্লাটুলেন্স, গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা, ডিসপেপসিয়া এবং নসিয়া কমাতে সাহায্য করে। লবঙ্গের উপকারিতা আরও ভালভাবে পেতে এটি পিষে, ভেঁজে, গুঁড়া করে বা মধুর সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন।

২। বায়োঅ্যাক্টিভ উপাদান

লং এর মধ্যে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টিকারসিনোজেনিক, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়া, অ্যান্টিইনফ্লেমেটোরি, হেপাটো-প্রোটেক্টিভ সহ আরো অনেক বায়োঅ্যাক্টিভ উপাদান পাওয়া যায়। লবঙ্গ কলেরা, যকৃতের সমস্যা, ক্যান্সার, শরীরে ব্যথা ইত্যাদি থেকে শরীরকে রক্ষা করে।

৩। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে লবঙ্গ

ডায়াবেটিসে আক্রন্ত ব্যক্তির শরীরে প্রয়োজনীয় ইনসুলিন তৈরি হতে পারে না। গবেষণায় পাওয়া গেছে যে লং এর রস শরীরের ভেতরে ইনসুলিন তৈরিতে সাহায্য করে এবং রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

৪। মুখের রোগ সারিয়ে তুলতে লবঙ্গ

মাড়ির সমস্যা, যেমনঃ জিনজিভাইটিস ও পেরিওডনটাইটিস হলে লং ব্যবহার করলে অনেক উপকার পাওয়া যায়। লং এর মুকুল (মাথার অংশ) ওরাল প্যাথোজেনের বৃদ্ধি রোধ করে আপনার মুখটিকে সকল রোগের হাত থেকে রক্ষা করে। মাড়ির ক্ষয় বা দাঁতের ব্যথা রোধেও এরা সাহায্য করে।

৫। মাথা ব্যথা নিয়ন্ত্রণ লবঙ্গ

মাথা ব্যথা কমাতে লবঙ্গের উপকারিতা অপরিসীম। কয়েকটি লং এবং খনিজ লবনের গুঁড়া মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। এক গ্লাস দুধের ভেতর এই পেস্ট মিশিয়ে পান করুন।