কেন্দুয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে ভুয়া ডাক্তারের এক মাসের জেল

 কেন্দুয়ায় ভ্রাম্যমান আদালতে ভুয়া ডাক্তারের এক মাসের জেল

মহসীন কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি ঃ  চিকিৎসা বিজ্ঞানে লেখাপড়া না করেও যিনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে সাইনবোর্ড টানিয়ে সর্বরোগের চিকিৎসা করে সাধারন জনগনের কাছ থেকে বিপুল পরিমান অবৈধ অর্থ উপার্যন করে আসছিলেন, সেই ভুয়া বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নাজিউর হক সোহাগকে (২৫) একমাসের কারাদন্ডাদেশ দিয়েছেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোছাঃ শিরিন সুলতানা। শনিবার সকালে নেত্রকোনা আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে পাঠানো হয়। তার বাড়ী ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার মুক্তাগাছা গ্রামে। তার বাবার নাম নূরুল হক। কেন্দুয়া বাজারের জননী ফার্মেসীর মালিক মাহবুবুর রহমান জানান, প্রতি নতুন রোগীর ক্ষেত্রে ৪০০/- এবং পুরাতন রোগীর ক্ষেত্রে ৩০০/- টাকা ভিজিট নিয়ে সর্বরোগের চিকিৎসা করে রোগীদের প্যাথলজীক্যাল পরীক্ষা নিরিক্ষা করে উচ্চমাত্রার এন্টিবায়োটিক দিয়ে আসছিলেন। প্যারা ম্যাডিকেল কোর্স করে ইন্টার্নি করেছে মর্মে জানিয়ে কেন্দুয়া বাজারের জননী ফার্মেসীতে চেম্বার তৈরি করে অবৈধ অর্থ উপার্জন করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরে। শুক্রবার বিশ্বস্থ্য সূত্রে খবর পান কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান। তিনি প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবহিত করেন। পরে ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসাঃ শিরিন সুলতানা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে চিকিৎসা নেওয়া লোকদের বক্তব্য শুনে এবং ভুয়া চিকিৎসক গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে সত্যতা স্বীকার করায় ভ্রাম্যমান আদালতে ১ লক্ষটাকা জরিমানা অনাদায়ে ১ মাসের কারাদন্ডাদেশ দেন। এর সত্যতা নিশ্চিত করে কেন্দুয়া থানার অফিসার ইনচাজ মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান বলেন, গ্রেফতারকৃত ভুয়া চিকিৎসক নাজিউর হক সোহাগকে নেত্রকোনা আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে। তিনি সকলকে এসব তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার আহŸান জানান।