মদনে জমি বিক্রেতা ও নকল দলিল সৃজনকারী শ্রী-ঘরে

 মদনে জমি বিক্রেতা ও নকল দলিল সৃজনকারী শ্রী-ঘরে

মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধিঃ সোমবার মদন সাব-রেজিঃ অফিসে ভূয়া কাওলায় দলিল করতে এসে জমির মালিক শিবপাশা গ্রামের কামরুজ্জামান চৌধুরী নান্টু ও দলিলের জাল নকল সৃজনকারী মদন দক্ষিণপাড়ার মৃত আরফান আলীর ছেলে আনিছ শ্রী-ঘরে।
সাব-রেজিঃ অফিস সূত্রে জানাযায়, শিবপাশা গ্রামের মৃত বদিউজ্জামান চৌধুরীর ছেলে কামরুজ্জামান নান্টু চৌধুরী একই গ্রামের সোনালীর কাছে শিবপাশা মৌজার ১৩২৩ দাগের ৪০ শতক ভূমি সাড়ে চার লাখ টাকায় বিক্রি করেন। সোমবার ওই ভূমি রেজিঃ করার জন্য দলিল লেখক আব্দুল গণির কাছে কাগজপত্র জমা দিলে তার সন্দেহ হলে সাব-রেজিষ্টার মোঃ সিরাজুল হকের কাছে উক্ত কাগজ দেখায়। এ সময় একটি দলিলের নকল সন্দেহ হলে সাব- রেজিষ্টার মোবাইল ফোনে জেলা রেকর্ড রুমে যোগাযোগ করে উক্ত দলিলের নকল জাল বলে নিশ্চিত করেন। এ সময় ভূমি বিক্রেতা নান্টু চৌধুরীকে দলিলের নকল সৃজনকারী কে? জিজ্ঞাসা করলে আরফান আলীর ছেলে আনিছের কথা স্বীকার করে। তখন আনিছকে অফিসে ডেকে এনে দু-জনকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে।
দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মোঃ অলিউর রহমান খান লিটন জানান, জাল দলিল সৃজনকারীর ও সম্পৃক্তকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। আমি এর ন্যয় বিচার চাই।
এ ব্যাপরে মদন সাব-রেজিষ্টার মোঃ সিরাজুল হক জানান, দলিল লেখক আব্দুল গণি শিবপাশা মৌজার ১৩২৩ দাগের ভূমির কাগজপত্র আমাকে দেখালে দলিলের নকল আমার সন্দেহ হয়। আমি সঙ্গে সঙ্গে মোবাইলে জেলা রেকর্ড রুমে যোগাযোগ করে উক্ত দলিলের নকল জাল বলে নিশ্চিত করি। অফিসের জাল-জালিয়াতী রোধকল্পে দু-জনকে পুলিশে সোপর্দ করি। অফিস শেষে থানায় গিয়ে এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
এস আই মমতাজ হোসেন জানান, সাব-রেজিষ্টারের খবরের প্রেক্ষিতে দুই জনকে আটক থানায় নিয়ে আসি। সাব রেজিষ্টার আসলে প্রযোজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।