পদ্মা সেতুর বিরোধীরাই গলাকাটা অপপ্রাচারে ব্যস্ত ঃ অপু উকিল

পদ্মা সেতুর বিরোধীরাই গলাকাটা অপপ্রাচারে ব্যস্ত ঃ অপু উকিল

সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা কেন্দুয়া (নেত্রকোণা) প্রতিনিধি ঃ বাংলাদেশ যুব মহিলালীগের সাধারন সম্পাদক ভাটি বাংলার অগ্নি কন্যা খ্যাত রাজপথের সাহসী সংগ্রামী নারী সংরক্ষতি আসনের সাবেক এম.পি অধ্যাপক অপু উকিল বলেছেন, বি.এন.পি জামায়াত জোটের নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন কর্মকান্ড দেখে মাথা খারাপ হয়ে গেছে। যারা পদ্মা সেতুর বিরোধিতাকারী, যারা চলন্তবাসে পেট্রোল বোমা মেরে যাত্রী সাধারনকে পুরিয়ে মেরেছে তারাই এখন দিশেহারা হয়ে গলাকাটা ও ছেলেধরা অপপ্রচারে ব্যস্ত রয়েছে। তাদের কোন কাজ নেই, ঘরে বসে বসে শুধু দেশের জনগনের এবং সরকারের বিরুদ্ধে অপপ্রাচার করাই প্রধান কাজ। অধ্যাপক অপু উকিল বলেন, শেখ হাসিনা প্রতিটি গ্রামকে শহর বানানোর পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। দেশের কোন গৃহহীন মানুষ যাদের এক খন্ড জায়গা আছে ঘর নেই, তাদেরকে বিনেপয়সায় ঘর তৈরি করে দিচ্ছেন। মাদক ও জঙ্গিমুক্ত দেশ গঠনের মাধ্যমে বাংলাদেশ যখন মধ্যম আয়ের দেশে উন্নিত হয়েছে এবং ২০৪১ সালে বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরিত হতে এগিয়ে চলছে তখন হতাশাগ্রস্থ ষড়যন্ত্রকারীরা গলাকাটা, ছেলেধরা আতঙ্ক ছড়িয়ে দিতে মাঠে নেমেছে। গড়াডোবা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে অধ্যাপক অপু উকিল আরো বলেন, ১৯৯৬ সালে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালনকালে সারা দেশে ১৩ হাজার কমিউনিটি ক্লিনিক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, কিন্তু ২০০১ সালে বি.এন.পি জামায়াত জোট ষড়যন্ত্র করে নির্বাচনে এসে বেগম খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়ে এসব কমিউিনিটি ক্লিনিকগুলোর কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়ে ছাগল পালা কর্মসূচি দিয়ে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করেছেন। অধ্যাপক অপু উকিল বলেন, আপনারা এখানেই বুঝেন দুই প্রধানমন্ত্রীর চিন্তা চেতনার পার্থক্য। শেখ হাসিনা দেশের গরীব দুখী মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করেছিলেন আর খালেদা জিয়া সেসব ক্লিনিক বন্ধ করে দিয়ে ছাগলপালা কর্মসূচি চালু করে কোটি কোটি টাকা লুটপাট করে কিছু কিছু মানুষকে পাগল করে দিয়েছেন। আওয়ামীলীগ সহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের দেশের মানুষের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখার আহŸান জানিয়ে অপু উকিল বলেন, ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে তাদেরকে শক্ত হাতে প্রতিহত করুন। জয়বাংলা ¯েøাগান কন্ঠে ধারন করে মুক্তিযোদ্ধারা যেভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন, সেভাবেই সকল ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতিহত করতে সকলকে প্রতিরোধ আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে।