জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে কেন্দুয়া

জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে কেন্দুয়া

 কেন্দুয়া প্রতিনিধি ঃ জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে কেন্দুয়া উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়নের জুড়াইল গ্রামে সংর্ঘষের ঘটনায় পাল্টা-পাল্টি দুটি মামলা হয়েছে। দুটি মামলায় উভয় পক্ষের অন্তত ৭০ জনকে আসামী করে কেন্দুয়া থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশি গ্রেফতার এড়াতে চার দিন ধরে প্রায় পুরুষ শূন্য হয়ে পড়েছে জুড়াইল গ্রাম। পুলিশ ইতিমধ্যে দুই পক্ষের যথাক্রমে মুর্তুজ আলীর ছেলে আব্দুর রউফ খোকন (৬০) ও মফিজ উদ্দিনের ছেলে নিজাম উদ্দিন কে (৬৫) গ্রেফতার করে নেত্রকোনা আদালতে পাঠিয়েছে। 
ওই গ্রামের মফিজ উদ্দিনের ছেলে সাদেকের অভিযোগ, ৩৪ বছর ধরে, তাদের ভোগ দখলে থাকা  ২৩ শতাংশ জমি চাষাবাদ করে আসছিলেন । কিন্তু একই গ্রামের মস্তুু মিয়ার ছেলে ফরিদ  ও তার লোকজন ওই জমি জোরামলে দখল নিতে গেলে সাদেক মিয়া ও তার লোকজন তাতে বাধা প্রদান করে। এতে প্রতিপক্ষের লোকেরা দেশিও ধারালো অ¯্র-স¯্র নিয়ে হামলা চালালে বেশ কয়েক জন আহত হয়। 
অপর দিকে মস্তুু মিয়ার ছেলে ফরিদ মিয়ার অভিযোগ তাদের নিজস্ব ২৩ শতাংশ জমি সাদেক মিয়া ও তার লোকজন জোরামলে দখলে নিতে গত ০৭ সেপ্টেম্বার সকাল অনুমান ০৯’০০ টার দিকে বসত বাড়িতে এসে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। এ সময় হামলা ঠেকাতে গেলে বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হন।  
এ ঘটনায় ০৮ সেপ্টেম্বার সাদেক মিয়া বাদি হয়ে ২৯ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত নামা আরও ৭-৮ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। এছাড়া ফরিদ মিয়া ৩২ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞ্যাত নামা ৬-৭ জনকে আসামী করে অপর একটি মামলা দায়ের করেন। কেন্দুয়া থানা পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানান জুড়াইল গ্রামে চলছে আসামী পুলিশের খেলা। পুলিশের খবর পেলেই দুই পক্ষের মামলার আসামীরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। তবে ইতিমধ্যে দুই পক্ষের দুই জনকে গ্রেফতার করে নেত্রকোণা আদালতে পাঠালে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।