মদনে হত্যাকান্ডের জের ধরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০

মদনে হত্যাকান্ডের জের ধরে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০

মোতাহার আলম চৌধুরী : নেত্রকোণার মদন উপজেলার দেওসহিলা গ্রামে বৃহস্পতিবার সকালে হাঁস রাখাল হত্যাকান্ডের জের ধরে এই গ্রামের খোকন মিয়ার দলের লোকজনের সাথে মন্টু মিয়ার দলের এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ঘটে। এতে উভয় পক্ষের  অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে নাহার মিয়া, কুহিল মিয়া, সবুজ মিয়া, রিপন, বিবেক, হাইউল, কাইয়ুমের অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় তাদেরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। আহত নজরুল, মনিরকে মদন হাসপাতালে ও ঝন্টুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে থানা হাজতে নেওয়া হয়েছে।

থানা সূত্রে জানাযায়, ২৫ ডিসেম্বর ২০১৮ ইং তারিখের রাতে দেওসহিলা গ্রামের সামনে তলার হাওড়ে এই গ্রামের মন্টু মিয়ার হাঁস রাখাল মোজাম্মেল খুন হন। ঘটনার পর দিন এব্যাপারে নিহতের খালাতো ভাই আবুল কালাম বাদী হয়ে মদন থানায় অজ্ঞাত নামা আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। নিহতের মোবাইল ফোনটি ক্রয় করার সূত্র ধরে ফতেপুর গ্রামের মৃত রেন্টু মিয়ার ছেলে মেহেদী হাসান স্বপনকে দিনাজপুর জেলার বিরামপুর থানাধীন সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে সম্প্রতি গ্রেফতার করে মদন থানায় নিয়ে আসলে দেওসহিলা গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে ঝন্টু সহ কয়েক জনের নাম স্বীকার করে। এরই প্রেক্ষিতে হাঁস রাখালের মালিক পক্ষ মন্টু মিয়ার দল বৃহস্পতিবার সকালে কয়ার হাওরে অভিযান চালিয়ে একই গ্রামের খোকনের দলের রমজান আলীর ছেলে ঝন্টুকে আটক করতে চাইলে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এসময় মন্টুর দলের লোকেরা ঝন্টুকে আটক করে তাদের বাড়ীতে এনে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে।

মদন থানা ওসি তদন্ত আজহারুল ইসলাম জানান, হত্যাকান্ডের জের ধরে দেওসহিলা গ্রামের দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়েছি, তবে এখন পর্যন্ত কোন পক্ষ অভিযোগ করেনি।