বারহাট্টায় কাজের মেয়ে মৃত্যুমামলার তদন্ত পিবিআইতে হস্তান্তরের দাবি

বারহাট্টায় কাজের মেয়ে মৃত্যুমামলার তদন্ত পিবিআইতে হস্তান্তরের দাবি

নেত্রকোনা প্রতিনিধি: নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলার সিংধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, জেলা আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ্ মাহবুব মোর্শেদ কাঞ্চনের(৬৯) বাসার কাজের মেয়ে মারুফা আক্তারের(১৪) মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার তদন্তভার পিবিআইতে হস্তান্তরের দাবি জানিয়েছে বেসরকারী সংস্থা নারী প্রগতি সংঘ (বিএনপিএস)। মারুফার মৃত্যুকে রহস্যজনক দাবি করে শনিবার বারহাট্টা প্রেসক্লাবের সামনের সড়কে মানববন্ধন ও পরে প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে নারী প্রগতি সংঘ।

 সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন- বিএনপিএসের বারহাট্টা কেন্দ্র ব্যবস্থাপক সুরজিত ভৌমিক, মারুফার মা আকলিমা বেগম, মহিলা পরিষদ বারহাট্টার সভানেত্রী নার্গিস জাহান, সিংধা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য সন্ধ্যা রানী রায়, বারহাট্টা পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ফরিদা ইয়াসমিন, বিএনপিএসের উন্নয়ন কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম মাজু প্রমুখ। 
  
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, গত বছরের ৯ মে সিংধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ্ মাহবুব মোর্শেদ কাঞ্চনের মোহনগঞ্জ পৌরসভার দৌলতপুরের বাসায় মারুফাকে নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়। পুলিশ ওই বাসা থেকে মারুফার লাশ উদ্ধার করে। মারুফা বারহাট্টার চরসিংধা গ্রামের মৃত আলী আকবরের মেয়ে। এ ঘটনায় মারুফার মা আকলিমা বেগম ওই বছরের ১১ মে শাহ্ মাহবুব মোর্শেদ কাঞ্চনসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মোহনগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা করেন। পুলিশ চেয়ারম্যান শাহ্ মাহবুব মোর্শেদ কাঞ্চনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠায়। পরে তিনি জামিনে ছাড়া পান। 
  
বারহাট্টার সিংধা ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ্ মাহবুব মোর্শেদ কাঞ্চন বলেন, আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ সম্পূর্ন মিথ্যে ও ভিত্তিহীন। মারুফার এক ছেলের সাথে প্রেম করছিল। বিষয়টি জানতে পেরে তার মা বাধা দেয়। এতে সে মায়ের সাথে অভিমান কের আত্মহত্যা করেছে। হাসপাতালের ময়না তদন্ত রিপোর্ট, পুলিশ ও সিআইডির প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনেও আত্মহত্যা বলে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই ইউনিয়ন থেকে আমি ছয়বার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। স্থানীয় একটি মহল আমার জনপ্রিয়তায় ইর্ষান্বিত হয়ে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। যারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে অভিযোগ করছে, আমি এ ব্যাপারে আইনের আশ্রয় নেব।
 
বারহাট্টা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার শাহ্ আবদুল কাদির বলেন, সিংধা ইউপি চেয়ারম্যান ষঢ়যন্ত্রের শিকার। স্থানীয় একটি মহল তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য মিথ্যে অপবাদ ছড়াচ্ছে।