আমরা পাক্কা ঘর পাইয়াম কোনদিন স্বপ্নেও ভাবছিনা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার স্বপ্নের  ঠিকানা পেলেন ২০ ভ‚মিহীন পরিবার

আমরা পাক্কা ঘর পাইয়াম কোনদিন স্বপ্নেও ভাবছিনা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার স্বপ্নের  ঠিকানা পেলেন ২০ ভ‚মিহীন পরিবার

কেন্দুয়া প্রতিনিধি: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমরারে নিজস্ব জমি দিছেন, একটি সুন্দর আধা পাকা ঘর বানাইয়া দিছেন। ঘর পাইয়া আমরা খুব খুশি। আমরার কোন বাড়ি ঘর ছিল না। অন্যের বাড়িতে বা বাজারের আনাচে কানাচে থাকতাম। অহন নিজের জায়গা ওইছে, ঘর অইছে, ঘরের সাথে বাথরুম আছে কলও আছে, বিদ্যুৎও আছে। যা সুবিধার সবই আছে। আমরা কোনদিন স্বপনেও কল্পনা করছি না আমরা আধা পাক্কা ঘর পাইয়াম। 
    
এ কথাগুলো রোববার দুপুরে মনের আবেগ প্রকাশ করে বলছিলেন ভিক্ষুক হিজরা ও সাধারন ভ‚মিহীন জনগোষ্টির লোকেরা। প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে আশ্রয়ন-২ প্রকল্পের মাধ্যমে দ্বিতীয় পর্যায়ে নতুন স্বপ্নের ঠিকানা পাচ্ছেন কেন্দুয়া উপজেলার ৫৬টি পরিবার। এর মধ্যে সাধারন ভ‚মিহীন ৩০, সাধারন ভ‚মিহীন নারী ১৪, হিজরা জনগোষ্টি ৮ ও ভিক্ষুক ৪ জন রয়েছেন। ৫৬ জনের মধ্যে রোববার ২০ জনের হাতে জমির দলিল, সনদপত্র ও ঘরের চাবি তুলে দেয়া হয়। এসব পাবার পর হিজরা জনগোষ্টির শাগুলি গ্রামের পূর্ণিমা, বাঁশাটি গ্রামে সবুজা, নওপাড়া গ্রামের গোলাপী, ছিলিমপুর গ্রামে লাবনী, কান্দিউড়া গ্রামের রুবেল, ছিলিমপুর গ্রামের সুইটি, দৈলা গ্রামের রানী ও কান্দিউড়া গ্রামের রুবেলবলেন, পরিবারের সদস্যরাও আমরারে অবহেলা করত। 

ঘর থেকে বের হইলে লোকজন আমরারে দেইখা নানা উপহাস করত। আমরা নিজের বাড়িতেও থাকতে পারতামনা, নিজের থাকার ঘরও ছিলনা। পূর্ণিমা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের হিজরা সম্প্রদায়ের লোকদের যে উপকার করছেন, তা আমরা জীবনেও কোনদিন ভুলবনা।  আমরা শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করি, তিনি যেন, সুস্থ সবল ভাবে বেচে থেকে দেশের গরিব দুঃখি মানুষের আরো উপকার করতে পারেন। 

রোববার সকালে উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ভ‚মিহীনদের মাঝে শেখ হাসিনার উপহার স্বপ্নের ঠিকানা প্রদান উপলক্ষে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান গীতিকার মোঃ নূরুল ইসলাম। অনুষ্ঠান সার্বিক ভাবে পরিচালনা করেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মইন উদ্দিন খন্দকার ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) মোঃ খবিরুল আহসান। এতে অংশগ্রহণ করেন, সুবিধাভোগী, ইউপি চেয়ারম্যান, সচিব, বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং গণমাধ্যম কর্মীরা।