পূর্বধলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কেনাকাটাসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি

পূর্বধলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কেনাকাটাসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি
পূর্বধলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কেনাকাটাসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতি

পূর্বধলা প্রতিনিধি: দুর্নীতি ও লুটপাটে জর্জরিত দেশের স্বাস্থ্য খাত। টেলিভিশনের পর্দা ও পত্রিকার পাতা খুললেই দেখা মেলে কেনাকাটা, নিয়োগ, পদায়ন, বদলি- এমন কোনো ক্ষেত্র নেই যেখানে দুর্নীতি হয় না। তৃণমূল পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে শুরু করে মন্ত্রণালয় পর্যন্ত সর্বত্রই দুর্নীতির অভিন্ন চিত্র।

এক শ্রেণীর অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের লোভের কাছে জিম্মি নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়নে সরকার পর্যাপ্ত বরাদ্দ এবং নানা উদ্যোগ নিলেও চরম দুর্নীতির কারণে কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছে না জনগণ।

পূর্বধলায় কর্তব্যরত সাংবাদিকদের এক অনুসন্ধানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বিভিন্ন খাতে দুর্নীতির অনেক তথ্য বেরিয়ে এসেছে। 

সরেজমিনে অনুসন্ধান ও কর্মচারীদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেক্সে প্রধান দুর্নীতি হয়  কেনাকাটায়। এরপর রয়েছে মেডিকেল ইকুপমেন্টের হালনাগাদ তথ্য প্রদর্শনে অব্যবস্থা, ইলেকট্রনিক স্টক রেজিস্ট্রার, যন্ত্রপাতি ক্রয় রিসিভ কমিটি, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার বরাদ্দ অর্থ, পুষ্টি সপ্তাহের প্রনোদনায় ব্যাপক অনিয়ম, হাসপাতালের কোয়াটার ব্যবহার অনুপযোগী দেখিয়ে অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ বাড়ি ভাড়া আদায়, বহু কর্মকর্তা-কর্মচারী অনুপস্থিত থেকেও বেতন ভাতাদি নিচ্ছে, হাসপাতালের কাজে ব্যবহৃত গাড়ি ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে, জ্বালানি ক্রয়, সর্বশেষ ৪৩৫০ টাকার ৩টি সিলিং ফ্যান ভাউচার করা হয়েছে ১০৫০০ টাকার। এসব দুর্নীতি রীতিমতো ওপেন সিক্রেট। অনেক যন্ত্রপাতি অকেঁজো দেখিয়ে বাহির ডায়াগনস্টিক সেন্টার গুলোতে কমিশনের বিনিময়ে পরিক্ষা নিরীক্ষা করিয়ে নেওয়ার এমন অভিযোগ প্রায়ই উঠছে। 

এবিষয়ে উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ শাহীনকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান এবং কেনাকাটার ভাউচার সংশোধন করবেন বলে জানান।