ধোবাউড়ায় নির্মাণ কাজ শেষ না হতেই সড়কে ফাটল কলাগাছ ও বাঁশ দিয়ে সড়ক রক্ষার চেষ্টা, এলাকাবাসীর নানা ক্ষোভ

ধোবাউড়ায় নির্মাণ কাজ শেষ না হতেই সড়কে ফাটল কলাগাছ ও বাঁশ দিয়ে সড়ক রক্ষার চেষ্টা, এলাকাবাসীর নানা ক্ষোভ

ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি: ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় সড়ক ও জনপথের আওতাভুক্ত প্রায় এক কিলোমিটার নবনির্মিত সড়কের বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা দিয়েছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার ঘোষগাঁও ইউনিয়নের নোয়াপাড়া এলাকার সীমান্ত বর্ডার রোডে। সড়কের কাজ এখনো চলমান রয়েছে। 

নি¤œমানের কাজ করায় জনমনে প্রশ্ন উঠেছে পুরো প্রজেক্টের কাজ নিয়ে, সৃষ্টি হয়েছে সমালোচনা ঝড়। সড়ক ও জনপথের অফিস সূত্রে জানা যায়, হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া অংশে ৪২ কিলোমিটার সড়কে প্রায় ১২৫ কোটি টাকা বরাদ্দে ৪টি ভাগে ৪জন ঠিকাদার কাজ করছে। এর মধ্যে ঘোষগাঁও ইউনিয়নের টেংরামারি ক্যাম্প থেকে দক্ষিণ মাইজপাড়া পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার সড়কের কাজ করছে সেতুলি কন্সট্রাকশন নামক ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। সেতুলি কন্সট্রাকশন ঠিকাদারের আওতায় ১০ কিলোমিটার সড়কেই চলচে ব্যাপক অনিয়ম। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, নোয়াপাড়া এলাকায় প্রায় ১৮ ফুট উঁচু করে নতুন মাটি ভরাট করার পর নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। 

যেখানে এক ফুট করে ভিটে বালু দিয়ে বুলডোজারের মাধ্যমে মাটি বসিয়ে কাজ করার কথা রয়েছে, সেখানে এক সাথে ১৮ ফুট মাটি ভরাট করে একবার বুলডোজার দিয়েই কার্পেটিং এর কাজ সম্পন্ন করা হয়। ফলে প্রায় আধা কিলোমিটার সড়কের মাঝ বরাবর ফাটল দেখা দিয়েছে। ফাটলগুলো মাটি দিয়ে ভরাট করার জন্য লিপ্ত রয়েছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লোকজন। অন্যদিকে সড়কের বিভিন্ন অংশ রক্ষার্থে নির্মাণ করা হচ্ছে কংক্রিটের বøক। সেখানেও রয়েছে নানা অনিয়ম। বৃষ্টির পানিতেই ভেঙ্গে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে বøকের বিভিন্ন অঙ্গ। বøকগুলোর উপরের অংশে সিমেন্ট মিশ্রিত পানি দিয়ে কালার করা হয়েছে চকচকে, ফাঁকি দেয়া হচ্ছে সরকারের চোখ, হাতিয়ে নিচ্ছে মোটা অংকের টাকা। স্থানীয়রা জানান, সিমেন্ট বিহীন বালু ও নি¤œমানের পাথর দিয়ে বানানো হচ্ছে কংক্রিটের বøক। 

এখানে দায়িত্বে থাকা ইঞ্জিনিয়ার থাকা সত্ত্বেও এমন নি¤œমানের কাজ হওয়ায় উর্ধ্বতন কর্মকর্তার সাথে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের যোগসূত্র রয়েছে বলেও ধারণা করছে সচেতন মহল। এদিকে সাংবাদিকরা তিনদিন সরেজমিনে গিয়েও দেখা মেলেনি দায়িত্বরত ইঞ্জিনিয়ারের। এ বিষয়ে ময়মনসিংহ সড়ক ও জনপথের বিভাগীয় নির্বাহী প্রকৌশলী ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, সড়ক ভেঙ্গে গেলে পুনঃনির্মাণ করা হবে। তিন বছর পর্যন্ত ঠিকাদারের সিকিউরিটিতে থাকে।