চন্দ্র কুমার দে’র স্মৃতি ভষ্কর্য নির্মান যতীন সরকারের দাবী পূরণ করবেন সৈয়দ সাহের

চন্দ্র কুমার দে’র স্মৃতি ভষ্কর্য নির্মান যতীন সরকারের দাবী পূরণ করবেন সৈয়দ সাহের

সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা,ময়মনসিংহ গীতিকার সংগ্রাহক চন্দ্র কুমার দের জন্মস্থান কেন্দুয়ায় তার স্মৃতি ভাষ্কার্য নির্মান করার দাবী ওঠে আসছে দীর্ঘ দিন থেকে। বুদ্ধিজীবী গবেষক অধ্যাপক যতীন সরকার গত কয়েক বছর ধরে কেন্দুয়ার বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এ দাবী তুলে ধরে আসছিলেন। গত ২৭ মার্চ কেন্দুয়া উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে স্বাধীনতা বই মেলার উদ্বোধক হিসেবে আলোচনায় তিনি আবারো এ দাবী তুলে ধরেন। এরই প্রেক্ষিতে মঞ্চে উপবিষ্ট বই মেলার আলোচক কেন্দুয়া জয়হরি স্প্রাই সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক সৈয়দ আবু সাদেকের ছেলে সৈয়দ আবু আবেদ সাহের ওই মঞ্চেই তার বক্তব্যে চন্দ্রকুমার দের স্মৃতি ভাষ্কর্য নিজ অর্থে নির্মানের ঘোষনা দেন। সৈয়দ আবু আবেদ সাহের বলেন, আমি লোকজ সংস্কৃতির চারন ভূমি কেন্দুয়া তথা চন্দ্রকুমার দের স্মৃতি রক্ষায় অধ্যাপক যতীন সরকারের আহ্বানে সারা দিয়েছি। খুব তাড়াতাড়িই ওই ভাষ্কর্য নির্মানের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল-ইমরান রুহুল ইসলামের সভাপতিত্বে ওই দিনের আলোচনা সভায় মঞ্চে আরো উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ যুব মহিলালীগের সাধারন সম্পাদক সাবেক এম.পি ও লেখক অধ্যাপক অপু উকিল, সাবেক সচিব কে.এইচ. মাসুদ সিদ্দিকী, মরমী বাউল সাধক জালাল উদ্দিন খাঁর পৌত্র গোলাম ফারুখ খান, ময়মনসিংহ রেঞ্চের অতিরিক্ত ডি.আই জি ড. আক্কাস উদ্দিন ভূঞা ও কবি আসাদ চৌধুরী। সৈয়দ আবু আবেদ সাহেরের এ ঘোষনায় উপস্থিত দর্শক শ্রোতা ও সকল অতিথিবৃন্দ তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। যতীন সরকার বলেন, এ দাবী পূরণ করা হলে কেন্দুয়া ইতিহাসের সঙ্গে সৈয়দ আবু আবেদ সাহেরের অবদান নতুন করে যুক্ত হবে। এছাড়া তিনি আশা করেন বাংলা একাডেমি থেকে চন্দ্র কুমার দে, মরমী বাউল সাধক জালাল উদ্দিন খাঁ, কবি রওশন ইয়াজদানী ও সিরাজ উদ্দিন কাশিমপুরীর মূল্যায়ন ও যথাযথ ভাবে করতে হবে। তাদের স্মৃতি রক্ষার্থেও সমাজের সংস্কৃতিমনা অন্যান্য ধনাঢ্য ব্যক্তিদের এগিয়ে আসতে হবে। সৈয়দ আবু আবেদ সাহের ১৯৭০ সালের ১ নভেম্বর কেন্দুয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কেন্দুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে লেখাপড়া করে জয়হরি স্প্রাই সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৮৬ সালে এস.এস.সি এবং ১৯৮৮ সালে ঢাকা নটরডেম কলেজ থেকে বিজ্ঞান বিভাগে এইচ.এস.সি পাস করেন। এছড়া ঢাকা ১৯৯৪ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.বিএ ও আইভিএ ডিগ্রী লাভ করেন। বর্তমানে তিনে হাইডেলবার্গ সিমেন্ট লিমিটেডের বাংলাদেশের মার্কেটিং ও সেলস্ ডাইরেক্টর।