বৃদ্ধ হাসেন আলীর স্বাভাবিক মৃত্যুর তিন বছর পর তদন্ত নিয়ে পরিবারের সদস্যরা বিস্মিত

বৃদ্ধ হাসেন আলীর স্বাভাবিক মৃত্যুর তিন বছর পর তদন্ত নিয়ে পরিবারের সদস্যরা বিস্মিত

কেন্দুয়া প্রতিনিধি: আশি বছরের বৃদ্ধ হাসেন আলীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয় ৩ বছর আগে। কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের ডুমদি গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন তিনি। তার মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে পরিবারের সদস্য সহ গ্রামবাসীর কোন অভিযোগ নেই। কিন্তু স্থানীয় একটি পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের সূত্র ধরে নেত্রকোনা পুলিশ সুপারের নির্দেশে তদন্ত শুরু করেন, কেন্দুয়া থানা পুলিশের এস.আই মাহবুব। এই তদন্ত শুরু হলে অবাক ও বিস্মিত হয় পরিবারের সদস্যরা। হাসেন আলীর বড় ছেলে মাসুদ জানান, আমার বাবা ৩ বছর আগে স্বাভাবিক ভাবে মৃত্যু বরণ করেন। মৃত্যুর পর আমাদের গ্রামের ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মজিবুর রহমান বাবলু সহ গ্রামের সকল মানুষের উপস্থিতিতে নামাজে জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করি। বাবার মৃত্যু নিয়ে আমাদের কোন অভিযোগ না থাকলেও কু-চক্রী মহল একটি পত্রিকায় মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। আমি এই সংবাদ প্রকাশের নিন্দা জানাই। একই কথা বলেন, হাসেন আলীর দুই পুত্রবধু হোসনা ও শিরিন। তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই মাহবুব জানান, আমি প্রকাশিত সংবাদের প্রেক্ষিতে পুলিশ সুপারের নির্দেশে তদন্তে গিয়েছিলাম। কিন্তু তদন্তকালে হাসেন আলীর বড় ছেলে মাসুদ ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা মৃত্যুর ঘটনাটি স্বাভাবিক মৃত্যু বলে দাবী করেন।

তিন বছর পর এরকম অভিযোগ ওঠায় তারা রীতিমত দুঃখ প্রকাশ করেন। ইউপি চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান বাবলু বলেন, হাসেন আলীর স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে এটা আমি সহ গ্রামের সবাই জানতাম। কিন্তু ৩ বছর পর মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে তদন্ত শুরু হওয়ায় আমরাও বিস্মিত।