ত্রিশালে বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীর আর্তনাদ

ত্রিশালে বীর মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রীর আর্তনাদ

 ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি :  ডাকনাম খোকা মিয়া । নামেও যেমন খোকা তেমনই পারদর্শী ছিলেন। মোঃ আব্দুল কুদ্দুস ( খোকা) ১৯৭১ সালে ভারত থেকে প্রশিক্ষণ শেষ করে স্বাধীনতা যুদ্ধে সরাসরি পাক বাহিনীর সাথে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।  এই বীর মুক্তিযোদ্ধা ময়মনসিংহের ত্রিশালের সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহম সেকান্দর আলী বাড়িতে থাকতেন। মরহুম সেকেন্দার আলী চেয়ারম্যানের কোন সন্তান না থাকায় খোকা মিয়াকে পালক সন্তান হিসাবে দায়িত্বভার  গ্রহণ করেন। খোকা মিয়া সেকান্দার  চেয়ারম্যানের বাড়িতে থাকা অবস্থায় স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়ে যায়। ওই সময় খোকা মিয়া যুদ্ধে সরাসরি  অংশগ্রহণ করে। বীর মুক্তিযোদ্ধা খোকা মিয়া আট বছর ধরে মৃত্যুবরণ করেন।খোকা মিয়ার মৃত্যুর পর স্ত্রী শামসুন্নাহার বেগম রীতিমতো মুক্তিযুদ্ধ বাতা  উত্তোলন করে আসছেন। 

কিন্তু হিতে বিপরীত!  বর্তমানে তার এক টুকরো জমি নাই, নাই থাকার ঘর। ওই সময়  সেকেন্দার আলী চেয়ারম্যান খোকা মিয়াকে ৫ কাঠা জমি লিখে দিলেও খোকা মিয়া বিক্রি করে ফেলে। বীর মুক্তিযোদ্ধা খোকা মিয়ার স্ত্রী শামসুন্নাহার বেগম  আত্মীয়তার সুবাদে বর্তমানে ত্রিশাল পৌরসভার ভাটিপাড়া এলাকার শাহজাহান মিয়ার ঘরে বসবাস করেন। 
ছয় সন্তানের জননী শামসুন্নাহার  বেগম খেয়ে না খেয়ে বর্তমানে জীবন যাপন করলেও দেখার যেন কেউ নেই । তার সন্তানগুলো বর্তমানে বিভিন্ন স্থানে অবসবাস করায় ঠিকমতো খোঁজখবর নিচ্ছেন না। বীর মুক্তিযোদ্ধা স্ত্রী শামসুন্নাহার বেগম  সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন তিনি যেন একটুকরো জমি ও একটি ঘর পান।