দুর্গাপুরে অর্থ লোপাটের অভিযোগে প্রধান শিক্ষককে সাময়িক বরখাস্ত

দুর্গাপুর প্রতিনিধি : নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ঝানজাইল উচ্চ বিদ্যালয়ে অবৈধ পন্থায় নিয়োগ ও স্কুলের অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ এনে প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক মোঃ এয়াকুব আলী নওয়াব কে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্কুল ম্যানেজিং কমিটি। ১ নভেম্বর থেকে এ বরখাস্ত কার্যকর হবে বলে পত্র পাঠিয়েছেন এসএমসি কমিটি।

    অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ঝানজাইল উচ্চ বিদ্যালয়ে সরকারি বিধি সম্মত নয় এমন প্রতিষ্ঠান থেকে ¯œাতক পাশ সনদ দিয়ে ২০১৪ সালে মোঃ এয়াকুব আলী নওয়াব প্রধান শিক্ষক পদে নিয়োগ পেয়ে সরকারি কোষাগার থেকে অদ্যাবধি পর্যন্ত বেতন ভাতা উত্তোলন করে যাচ্ছেন। নিয়োগকৃত শিক্ষক ২০১০ সালে ‘‘দারুল এহসান বিশ^বিদ্যালয়’’ থেকে ¯œাতক পাশ করে প্রতিষ্টানে যোগদানের পর থেকে নানা অনিয়ম ও দূনীর্তি করে অর্থ আত্মসাৎ করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া ২০১৭-২০১৮ সালে শিক্ষা প্রতিষ্টানের আয়-ব্যায়ের তদন্ত প্রতিবেদনে দেখা যায় ৩ লক্ষ ৭৮ হাজার ৭শ ৩৬ টাকা আত্মসাৎ করেন ওই প্রধান শিক্ষক। 

    অর্থ আত্মসাৎ এর বিষয়ে নিরীক্ষা কমিটির সদস্য আব্দুল মতিন খান এ প্রতিবেদক কে জানান, অর্থ লোপাটের ঘটনার কাগজ পত্রাদীসহ এসএমসি কমিটির কাছে হস্তান্তর করেছি। প্রতিষ্টানের অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ঘটনাটি নিঃসন্দেহে দুঃখজনক। ঝানজাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএমসি কমিটির সভাপতি কমর উদ্দিন খান জানান, এসএমসি কমিটি কর্তৃক গঠিত নিরীক্ষা কমিটি প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানের অর্থ আত্মসাৎ এর সাথে জড়িত ও দারুল এহসান বিশ^বিদ্যালয় থেকে নেয়া ডিগ্রি দিয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়াটি ছিল অবৈধ বিধায় এ দুটি কারনে প্রধান শিক্ষক এয়াকুব আলী নওয়াব’কে এসএমসির সিদ্ধান্ত মোতাবেক সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তের কপি সদয় অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য মিডিয়াকর্মীসহ বিভিন্ন দফতরে প্রেরণ করা হয়েছে।

    অনিয়ম ও দূনীর্তির অভিযোগে বরখাস্ত হওয়া প্রধান শিক্ষক মোঃ এয়াকুব আলী নওয়াব এর সাথে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠাানে যোগদানের পর থেকেই একটি মহল আমাকে নানাভাবে হেয় করার জন্য পায়তারা চালিয়ে যাচ্ছে। আমি প্রতিষ্ঠানের কোন অর্থআত্মসাৎ করিনি, আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ মিথ্যা এবং ভিত্তিহীন, আমাকে বরখান্ত করা হয়েছে এমন কোন চিঠি আমি পাইনি।