পূর্বধলায় মিশুক রিক্সা চালকদের বোবা কান্না দেখার কেউ নেই

পূর্বধলায় মিশুক রিক্সা চালকদের বোবা কান্না দেখার কেউ নেই

মোস্তাক আহমেদ খান : নেত্রকোনার পূর্বধলায় মিশুক রিক্সা চালকদের হয়রানি বেড়েই চলেছে। কিন্তু কোনো প্রতিকার মিলছে না। ভুক্তভোগীদের হাহাকার যেন কেউ দেখছে না, তাদের কান্না যেন কেউ শুনছে না। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর/২০) হঠাৎ রাস্তায় চলতে দেওয়া হচ্ছে না মিশুক রিক্সা, বিভিন্ন প্রকার বাঁধা, নিষেধাজ্ঞা। তাদের নিষেধাজ্ঞা ঠেকাতে সকলে একতাবদ্ধ জড়ো হয়ে উপজেলা চত্বরে আন্দোলন শুরু করে। পরে পুলিশ শর্তসাপেক্ষে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আগামী রবিবারে উভয় পক্ষের ৩ জন প্রতিনিধি করে আলোচনার কথা বলে রিক্সা চালানো নির্দেশ দেন।

একজন সাধারণ মিশুক রিকশা চালকের জানান, দৈনিক ৫০০ টাকার আয় করা যায় না, তার মধ্যে মালিককে আমদানি দিতে হয় ২৫০ টাকা। নিজের রিক্স হলেও রয়েছে কিস্তির চাপ। সদর ইউনিয়ন পরিষদে ২০০/৩০০ টাকা জমা রিক্সার লাইসেন্স করেছি। বাজারে ঢুকলে এবং বাহির হইলে সর্বদা চাঁদা দিতে হবে অটো মালিক সমিতিকে। দিতে হবে পুলিশ প্রসাশনকে মাসিক চাঁদা। বর্তমানে আমাদের মিশুক রিক্সা বন্ধের পথে। আমরা এখন বোবা কান্নায় জর্জরিত। দেখার কেউ নেই মনে হচ্ছে।

শ্রমিক নেতাদের সাথে আলোচনা করে জানা যায়, একজন অটো চালক সিরিয়াল নেওয়ার জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাড়িয়ে থেকে যাত্রী হউক বা না হউক স্ট্রান্ড থেকে সিরিয়ালে চলে যেতে হবে। কিন্তু একজন মিশুক চালক অনায়েসে ৪/৬ জন যাত্রী নিয়ে চলে যায়। শুধু তাই নয় তার কোন সিরিয়াল বা বিধি নিষেধ নাই। তাই একটা নিয়মে আনা দরকার।
এবিষয়ে সদর ইউপি চেয়ারম্যান আপ্তাব উদ্দিন বলেন, সরকারি নিয়ম মেনেই উন্নয়ন করের অংশ হিসাবে ১ বছরের জন্য মিশুক রিক্সার লাইসেন্স করা হয়েছে। এখন যারা এদের রিক্সা চালাতে বাঁধা প্রদান করছে এটা সম্পূর্ণ অনৈতিক।