"মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস" যুক্তহল অত্যাধুনিক লাল-সবুজ বগি নেত্রকোনাবাসী আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ সাজ্জাদুল হাসানের প্রতি

"মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস" যুক্তহল অত্যাধুনিক লাল-সবুজ বগি নেত্রকোনাবাসী আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ সাজ্জাদুল হাসানের প্রতি

পজিটিভ নেত্রকোনা -৮

।।   দিলওয়ার খান।।
৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬, ৪ বছর আগে ঢাকা-মোহনগঞ্জ-ঢাকা রুটে নেত্রকোণাবাসীদের আন্দোলনের মাধ্যমে নেত্রকোণার ভাটি বাংলার উন্নয়নের রূপকার হাওর বর পুত্র প্রধানমন্ত্রীর সাবেক সিনিয়র সচিব ও বর্তমান বেসরকারি বিমান পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসানের আশীর্বাদে ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টির ফলে নেত্রকোণাবাসী পেয়েছে মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস নামের একটি আন্তঃনগর ট্রেন।  ২১০ কিলোমিটার (১৩০ মাইল) পথ পাড়ি দিয়ে সপ্তাহে ৬ দিন (সোমবার বন্ধ) পরিসেবা দিতে এই ট্রেন যাত্রার গড় সময় লাগে ৬ ঘণ্টা। সাধারনণত ২৯০০ ক্লাসের লোকোমোটিভ দিয়ে এই ট্রেন চালানো হয়। পূর্বে এই ট্রেন হলুদ-সবুজ রঙের ভ্যাকুয়াম কোচে ১৪/২৮ লোডে চলতো। কালের পরিক্রমায় গেলো বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে প্রথমবারের মতো মোহনগঞ্জের উদ্দেশ্যে কমলাপুর স্টেশন ছেড়ে আসে ঢাকা-মোহনগঞ্জ-ঢাকা রুটে চলাচল করা মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস টি। ট্রেনের পুরাতন কোচ পরিবর্তন করে ইন্দোনেশিয়াা থেকে আনা মিটারগেজ কোচ (ব্র্যান্ড নিউ ইন্দোনেশিয়ান PT Industri Kereta Api (PT Inka)যুক্ত করে নতুন রূপে ট্রেনটি পরিচালনা করছে রেল কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে এই ট্রেনে পিটি ইনকার তৈরী এয়ার-ব্রেক কোচ ব্যবহার করা হয়।
এদিকে, ১৪টি কোচ বিশিষ্ট এই আন্তনগর ট্রেনের আসন সংখ্যা, দিনের বেলা ৬৫৩টি এবং রাতের বেলা ৬৩৮টি। এর মধ্যে শোভন চেয়ার, শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত চেয়ার(এসি চেয়ার স্নিগ্ধা), শীতাতাপ নিয়ন্ত্রিত স্লিপার (এসি সিট/এসি বার্থ) কোচ রয়েছে এতে।  
তাছাড়া, মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকার কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে প্রতিদিন দুপুর ২টা ২০ মিনিটে ছাড়ে এবং রাত ৮টা ৪০মিনিটে মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে গিয়ে পৌঁছায়। আবার রাত সাড়ে ১১টায় মোহনগঞ্জ থেকে ছেড়ে পরদিন ভোর ৬টায় ঢাকায় আসে ট্রেনটি। এদিকে পথে বিমানবন্দর, গফরগাঁও, ময়মনসিংহ, গৌরীপুর, শ্যামগঞ্জ, নেত্রকোনা, ঠাকুরাকোনা, বারহাট্টা ও মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে মোট ১১টি যাত্রাবিরতি দেয় ট্রেনটি। উল্লেখ্য, মোহনগঞ্জ এক্সপ্রেসের পুরাতন কোচগুলো টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনে যুক্ত করা হবে এবং টাঙ্গাইল কমিউটারের পুরাতন কোচগুলো দিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম-রাজশাহী-বীর মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম রুটে এক জোড়া নতুন আন্তনগর ট্রেন পরিচালনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও রেলপথ মন্ত্রীর মাধ্যমে হাওররত্ন সাজ্জাদুল হাসানের সহযোগিতায় জেলার জন্য একটি আন্তঃনগর ট্রেন ভাটিবাংলার মানুষকে উপহার দিচ্ছেন। উন্নয়ন অগ্রযাত্রার মহানায়ক, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত উন্নয়ন যোদ্ধা সাজ্জাদুল হাসানের কাছে নেত্রকোণাবাসি কৃতজ্ঞ ও গর্বিত। (দিলওয়ার খান  জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক চেয়ারম্যান এআর এফবি)