কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকদের অভিযোগের তদন্ত অনুষ্ঠিত

কর্মসৃজন প্রকল্পের শ্রমিকদের অভিযোগের তদন্ত অনুষ্ঠিত

কেন্দুয়া  প্রতিনিধি ঃ   কেন্দুয়া উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়নের কর্মসৃজন প্রকল্পের কয়েকজন শ্রমিক উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। এরই প্রেক্ষিতে অভিযোগটির সরেজমিন তদন্ত করে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী কাজী মাজহারুল ইসলাম । বুধবার তিনি তদন্ত প্রতিবেদন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা বরাবর জমা দেন। ওই তদন্ত প্রতিবেদনের অনুলিপি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারকেও দিয়েছেন। তদন্ত প্রতিবেদনে কাজী মাজহারুল ইসলাম বলেন, ২০১৯-২০ অর্থ বছরে প্রথম পর্যায়ের বলাইশিমুল ইউনিয়নের কয়েকজন উপকার ভোগী দাবী করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরারব লিখিত অভিযোগ করেন। তারা তাদের অভিযোগে বলেন, কাজ করেও তারা শ্রমের মজুরী পাননি। করোনাকালীন বিপর্যয়ের কারণে অবশেষে গত ১০ জুলাই সরেজমিন তদন্তে যান উপসহকারী প্রকৌশলী। তদন্তকালে তিনি জানতে পারেন ইউপি চেয়ারম্যান, সচিব ও সকল ইউপি সদস্যগণের উপস্থিতিতে ২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক যেসব উপকারভোগী কাজ করেছেন অথচ মজুরী পাননি বলা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। তদন্তকালে এর কোন সত্যতা মেলেনি। তারা তিনটি প্রকল্পের একটিতেও নিয়মিত শ্রমিক হিসেবে কাজ করেননি। অনেকেই এলাকাতে নেই এবং অনেকেই মারাও গেছেন। প্রকল্পের স্বার্থে পরিষদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক তাদের পরিবর্তে নতুন শ্রমিক নিয়োগ দেয়া হয়। অভিযোগকারীদের নাম ও কার্ডনং সমূহ তালিকাভ‚ক্ত শ্রমিকদের মধ্যে নেই। এমনকি হাজিরা খাতাতেও ওই সকল নামের শ্রমিকদের উপস্থিতি নেই। তিনি তার তদন্ত প্রতিবেদনে আরো বলেন, প্রকল্পে ৪০ দিন কাজ করেছেন কিন্তু মজুরী পাননি এ কথা বিভ্রান্তিমূলক। প্রকল্পের কাজে বিঘœ সৃষ্টির জন্য এ কথা উল্লেখ করে অভিযোগ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মেহেদী হাসান মৃধা বলেন, সরেজমিন তদন্তেই সব তথ্য বেরিয়ে এসেছে। শ্রমিকরা যে অভিযোগ করেছিলেন, তাদের অভিযোগ সঠিক নয়। ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সচিব, ইউপি সদস্যগন সম্মিলিত ভাবে সভায় বসে সিদ্ধান্ত নিয়েই নতুন শ্রমিক নিয়োগ দিয়েছেন। এর বাস্তভিত্তিক প্রমান তদন্ত প্রতিবেদনের সঙ্গে ওঠে এসেছে। তবে অভিযোগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাদের কারো কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।