পেট ভাইয়ের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ও হয়রানীর হাত থেকে বাচঁতে নেত্রকোনা ডিসি ও এসপির কাছে মসজিদের ইমামের লিখিত আবেদন

পেট ভাইয়ের সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ও হয়রানীর হাত থেকে বাচঁতে নেত্রকোনা ডিসি ও এসপির কাছে মসজিদের ইমামের লিখিত আবেদন

এ কে এম আব্দুল্লাহ্, নেত্রকোনা ঃ পেট ভাই কর্তৃক সম্পত্তি বেদখলের পাঁয়তারা, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ ও হয়রানীর হাত থেকে আইনগত সহায়তা প্রদানের দাবীতে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবরে লিখিত আবেদন জানিয়েছেন মসজিদের ইমাম ও এতিম খানার সহকারী শিক্ষক অসহায় হাফেজ মাওলানা এরশাদ মিয়া।
    অভিযোগে প্রকাশ, নেত্রকোনা সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের রৌহা গ্রামের আব্দুল লতিফ ওরফে লাল মিয়ার পুত্র হাফেজ মাওলানা এরশাদ মিয়া দীর্ঘদিন যাবৎ গাজীপুর জেলার সদর উপজেলার রাজেন্দ্রপুর এলাকার শান্তি নীড় সি আই ডি মসজিদের ইমাম এবং দারুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানার সহকারী শিক্ষক হিসেবে চাকুরী করে আসছেন। গ্রামের বাড়ীতে এরশাদের বৃদ্ধ পিতা আব্দুল লতিফ ওরফে লাল মিয়া ও তার স্ত্রী সন্তান বসবাস করে আসছে। এরশাদ বাড়ীতে না থাকার সুযোগে তারই পেট ভাই জহুর আলীর পুত্র মামলাবাজ আব্দুল খালেক মাওঃ এরশাদের সম্পত্তি বেদখলের পাঁয়তারা চালায়। এরশাদের পিতা লাল মিয়া এ ব্যাপারে প্রতিবাদ জানালে খালেক ও তার ছেলে ইয়াছিন এবং হাকিম তাকে মারধর করে। এরশাদের স্ত্রী ও সন্তানরা লাল মিয়াকে রক্ষায় এগিয়ে আসলে খালেক ও তার ছেলেরা তাদেরকে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। খালেক গংরা এতেই ক্ষান্ত হননি। তারা প্রধান সড়ক থেকে বাড়ীতে যাওয়ার রাস্তা কেটে ফেলেন। খবর পেয়ে এরশাদ বাড়ীতে এসে গ্রাম্য মুরব্বীদের কাছে বিচার চাইলে মুরব্বীরা বসে মিট মিমাংসা করে দেন। এরশাদ কর্মস্থলে চলে যাওয়ায় খালেক গংরা পূনরায় এরশাদের সম্পত্তি বেদখলের জন্য পিতা ও তার স্ত্রী সন্তানদের উপর মানসিক অত্যাচার নির্যাতন শুরু করেছে। 
     মাওঃ এরশাদ মসজিদের ইমাম ও এতিমখানার সহকারী শিক্ষক হিসেবে যা আয় করেন বর্তমান দুর্মূল্যের বাজারে তা দিয়ে ঠিকমতো সংসার খরচ চালাতে পারছেন না। এ অবস্থায় তার পক্ষে খালেক গংদের বিরুদ্ধে মামলা করা এবং মামলা পরিচালনার ব্যায়ভার বহন করা সম্ভব নয় বিধায় তিনি সোমবার সকালে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবরে ন্যায় বিচার প্রার্থনা করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।