নেত্রকোনা রেজিস্টার অফিসের টাইপিস্ট  কাম- সহকারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

নেত্রকোনা রেজিস্টার অফিসের টাইপিস্ট  কাম- সহকারীর বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ

নেত্রকোনা প্রতিনিধি ঃ নেত্রকোনা জেলা রেজিস্টার কার্যালয়েরটাইপিস্ট কাম অফিম সহকারী শাহজাহান কবীরের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। জেলা শহরের সাতপাই এলাকার শহিদুল ইসলাম সম্প্রতি মহা পরিদর্শক নিবন্ধন বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেছেন। এ ব্যাপারে অবগতি যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সচিব, দুর্নীতি দমন কমিশনের সচিব, নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগের অনুলিপি দিয়েছেন। 
 অভিযোগে জানা গেছে, জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে হাউজ বিল্ডিং ঋণ নেয়ার জন্য আবেদন তল্লাশী প্রতিবেদন নেয়ার ক্ষেত্রে প্রত্যেক তল্লাশী প্রতিবেদনের জন্য ৫০০০/- টাকা থেকে ৭০০০/- টাকা উৎকোচ দিতে হয়। অথচ সরকারি ফি ৬০০/- টাকা থেকে ৯০০/- টাকা ধার্য আছে। অতিরিক্ত টাকা না দিলে মানুষকে দিই দিচ্ছি বলে দিনের পর দিন ঘুরিয়ে থাকের শাহজাহান কবীর। দলিল লেখকদের নতুন সনদ নেয়ার ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ফি ৩০০০/- হাজার টাকার স্থলে এক লাখ থেকে দেড় লাখ টাকা উৎকোচ প্রদান করতে হয়। তা না হলে আবেদনকারীকে দিনের পর দিন ঘুরতে হয়। নতুন নকল নবীশ হিসেবে যোগদানের জন্য গেলে দিতে হয় ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা। উৎকোচের টাকা না দিলে হয়রানীর শিকার হতে হয়। আটপাড়া ও কেন্দুয়া সাব রেজিস্ট্রী অফিসে দুইজন পিয়ন কর্মরত আছেন। আত্মীয়তার সুবাদে তার ানুগত হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে একই জায়গায় কর্মরত আছেন। ওই দুইজন পিয়ন তাকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করে থাকেন। কোন কর্মচারী তাদের কথা না শুনলে নানা হয়রানীর শিকার হন। হয়রানীর ভয়ে জেলার অন্যান্য উপজেলার কর্মচারীরা প্রতিবাদ করতে সাহস পান না। কিছুদিন পূর্বে মোহরার নূর মোহাম্মদ বাদলকে অহেতুক শোকজ করে বরখাস্ত করা হয়। শ্যালক, শ্যালিকা, শ্বশুর, শাশুড়ির নামে জমি, বাসাবাড়ি, মাইক্রোবাস ক্রয় করেন। দুদকের ভয়ে পরে নিজ নামে হেবার ঘোষণা, দানপত্র দেখিয়ে নিজ নামে হস্তান্তর করে নেন। জেলার বিভিন্ন সাব রেজিস্টার কার্যালয়ে জেলা রেজিস্টারের সঙ্গে অডিটের সময় সফর সঙ্গী হয়ে অডিট করার নামে ভয়ভীতি দেখিয়ে মোটা অংকের উৎকোচ গ্রহন করেন। শাহজাহান কবীর নামে বেনামে বিপুল অর্থ সম্পদের মালিক হয়েছেন। এ ব্যাপারে অভিযোগকারী শহিদুল ইসলাম সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানাচ্ছেন। 
 নেত্রকোনা জেলা রেজিস্ট্রার অফিসের টাইপিস্ট কাম অফিস সহকারী শাহজাহান কবীর বলেন, অফিসের কিছু লোক তাদের অনৈতিক কাজে সহায়তা না করায় আমার বিরুদ্ধে মিথ্যে ও ভিত্তিহীন অভিযোগ করছে। ওরা আমার পিচনে দীর্ঘদিন ধরে লেঘে আছে। আমিও চাই সঠিক তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হউক।  
 নেত্রকোনা জেলা রেজিস্টার খন্দকার জামিলুর রহমান বলেন, অভিযোগের বিষয়টি আমার জানা নেই। অভিযোগ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।