প্রধানমন্ত্রীর উপহার দুর্যোগ সহনীয় ঘর পেয়ে জুবেদ আলীর মুখে ফুটেছে প্রাণের হাসি

প্রধানমন্ত্রীর উপহার দুর্যোগ সহনীয় ঘর পেয়ে জুবেদ আলীর মুখে ফুটেছে প্রাণের হাসি

সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা, কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি ঃ নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার ২ নং আশুজিয়া ইউনিয়নের ঘোষখিলা গ্রামের কৃষি শ্রমিক জুবেদ আলীর মুখে “মুজিব বর্ষ” উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার দূযোর্গ সহনীয় ঘর পেয়ে ফুটেছে প্রাণের হাসি। কায়িক শ্রম বিক্রি করেই ৪ জনের সংসার চলে জুবেদ আলীর। ১ স্ত্রী ১ ছেলে ও ১ কন্যা সন্তান নিয়ে একখন্ড পৈত্রিক ভ‚মিতেই এতদিন বসবাস করে আসছিলেন। বাসযোগ্য একটি ঘর নির্মান করার একেবারেই সামর্থ ছিলনা তার। এমনি ভাবে রোদ, ঝড় বৃষ্টি সঙ্গী করে চলে আসছিলেন তিনি। 
জুবেদ আলীর এই কষ্টের বসবাস নজরে পরে আশুজিয়া ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং জনতা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলামের। তিনি সরকারের নিকট জুবেদ আলীর বসবাসের করুণ চিত্র তুলে ধরে আবেদন জানান। এরই প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান, টিআর, কাবিটা কর্মসূচির আওতায় দূর্যোগ সহনীয় বাসগৃহ নির্মান প্রকল্পের আওতায় ২০১৯/ ২০২০ অর্থ বছরে ২ লাখ ৯৯ হাজার টাকা ব্যায়ে একটি আধাপাকা ঘর নির্মান করে দেয়া হয়। প্রকল্প কমিটির সভাপতি আশুজিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জানান, চারটি দরজা, চারটি জানালা বিশিষ্ট ২ কক্ষের ঘরটিতে স্ত্রী সন্তান নিয়ে সুখে শান্তিতে বসবাস করছেন জুবেদ আলী। ঘরটির সঙ্গে আরেকটি পরিপাটি রান্নাঘর এবং একটি স্বাস্থ্যসম্মত লেট্রিন নির্মান করে দেয়া হয়েছে। কেমন আছেন জুবেদ আলী, তা দেখতে শনিবার বিকেলে সরেজমিন গেলে জুবেদ আলী মনের আনন্দে হাসতে হাসতে বলেন, শেখ হাসিনা আমারে সুন্দর ঘর বানাইয়া দিছেন। আল্লায় চিরদিনের জন্য তারে আরো অনেক সুন্দর ঘর বানাইয়া দিবেন। এদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মঈন উদ্দিন খন্দকারের নিকট তার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে রোববার তিনি বলেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর উপহার দূর্যোগ সহনীয় ঘরের নির্মান কাজ দেখে এসেছি। মানসম্মত সুন্দর কাজ হয়েছে বলেই মনে হয়। তিনি বলেন, ওই ঘর পেয়ে জুবেদ আলী ও তার পরিবারের সদস্যরা খুব খুশি। আমরা প্রকল্পের মান এমনটিই চাই।