কেন্দুয়ায় ৯ মাস ধরে ১৩১ গ্রাম পুলিশের  জীবন সংসার চলছে দুঃখে কষ্টে 

কেন্দুয়ায় ৯ মাস ধরে ১৩১ গ্রাম পুলিশের  জীবন সংসার চলছে দুঃখে কষ্টে 

সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা, কেন্দুয়া  প্রতিনিধি ঃ  নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় গ্রাম পুলিশেরর ১৩১ জন সদস্য ৯ মাস ধরে ইউপি অংশের বেতন ভাতা পাচ্ছেননা। জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা থাকার পরও এসব গ্রাম পুলিশের সদস্যরা বেতন ভাতা না পেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে খুবই দুঃখে কষ্টে দিন যাপন করছেন। এছাড়া ১ বছর ৩ মাস ধরে পাচ্ছেননা তাদের হাজিরা ভাতাও। নিয়মিত কাজ করেও তারা বেতন ভাতা না পেয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে দুঃখ কষ্ট করলেও বকেয়া বেতন ভাতা পরিশোধে উপজেলা প্রশাসন থেকে তেমন গুরুত্ব দেয়া হচ্ছেনা। গ্রাম পুলিশ উপজেলা কমিটির সভাপতি মোঃ আব্দুল কুদ্দুস, ও সাধারন সম্পাদক মোঃ মোস্তফা জানান, ১৩১ জনের মধ্যে ১৭ জন দফাদার এবং ১১৪ জন মহল্লাদার রয়েছে। ১৭ জন দফাদার প্রতিমাসে ৩ হাজার ৫শ টাকা করে এবং ১১৪ জন মহল্লাদারের ৩ হাজার ২শ ৫০ টাকা করে ৯ মাসের ইউপি অংশের বেতন ভাতা বকেয়া পরে আছে। তাছাড়া ১ বছর ৩ মাস ধরে ১১টি ইউনিয়নের সদস্যরা প্রতি মাসে ১ হাজার ২শ টাকা এবং দলপা ও আশুজিয়া ইউনিয়নের গ্রামপুলিশ সদস্যরা ৬ শ টাকা করে হাজিরা ভাতা পাচ্ছিনা। তারা বলেন, এই করোনাকালেও দিন রাত কষ্ট করে আমরা দায়িত্ব পালন করছি। উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ ও গ্রামে গ্রামে পাড়ায় পাড়ায় আমরা আমাদের কর্তব্য পালন করে যাচ্ছি। কিন্তু বেতন ভাতা না পাওয়ায় আমরা আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে খুবই দুঃখে কষ্টে দিন যাপন করছি। আব্দুল কুদ্দুছ বলেন, ঈদের পরে বকেয়া বেতন ভাতা পরিশোধের দাবীতে আমরা কয়েকজন নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক স্যারের সাথে দেখা করে আমাদের কষ্টের কথা বলেছি। জেলা প্রশাসক স্যার বেতন ভাতা পরিশোধের জন্য ইউএনও স্যারকে বলেছিলেন। কিন্তু ইউএনও স্যার বদলি হয়ে চলে গেছেন। তাই আমরা এখনও বেতন ভাতা পাচ্ছিনা। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসের অফিস সহকারী মোঃ শাহিন মিয়া বলেন, বিদায়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল-ইমরান রুহুল ইসলাম হাট-বাজারের টাকা থেকে ২ লাখ পরিশোধ করেছিলেন। বাকি টাকা সরকারি বিধি মোতাবেক পরিশোধ করা হবে।