করোনাকালেও উত্তম সেবার নিশ্চয়তা দিচ্ছেন রূপালী ব্যাংক কেন্দুয়া শাখা ব্যবস্থাপক খায়রুল

করোনাকালেও উত্তম সেবার নিশ্চয়তা দিচ্ছেন রূপালী ব্যাংক কেন্দুয়া শাখা ব্যবস্থাপক খায়রুল

সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা, কেন্দুয়া  প্রতিনিধি : বরাবরই উত্তম সেবার নিশ্চয়তার দিয়ে আসলেও করোনা ঝুকিতেও সেবার কমতি নেই রূপালী ব্যাংক কেন্দুয়া শাখার। গ্রাহকদের যাতে কোন হয়রানি বা দূর্ভোগ পোহাতে না হয়। সে বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই মানসম্পন্ন সেবা দিয়ে যাচ্ছেন প্রিন্সিপাল অফিসার ও ব্যবস্থাপক মোঃ খায়রুল ইসলাম। এমনটাই দাবী ব্যাংকের সম্মানিত গ্রাহকদের। প্রথম শ্রেনীর সরকারি ঠিকাদার ও কেন্দুয়া উপজেলা আওয়ামীলীগ নেতা সাইফুল ইসলাম আঙ্গুর এবং ধোপাগাতী গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ইসরাফিল বলেন, রূপালী ব্যাংক ব্যবস্থাপক ইতিপূর্বে যারা এখানে দায়িত্ব পালন করেছেন, প্রত্যেকেই সেবার মান অটুট রেখেছেন। সাইফুল ইসলাম আঙ্গুর বলেন, যখনই শুনেছি ব্যবস্থাপকের বদলি হয়ে গেছেন, তখনই চিন্তা করেছি পরবর্তী ব্যবস্থাপক আসলে কেমন কি হয়? কিন্তু দেখা গেছে কারো চাইতে কেউ কম নন। সাইফুল ইসলাম বলেন, অতীতের সকলের চাইতে উন্নত সেবা দিয়ে করোনাকালেও গ্রাহকদের মন জয় করে চলছেন ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম এটা শুধু গ্রাহক হিসেবে আমার কথা না। প্রায় সব গ্রাহকেরেই মতামত এটি। চলতি বছরের ১৮ ফেব্রæয়ারী কেন্দুয়া শাখায় যোগদান করলেও ২৬ ফেব্রæয়ারী তিনি ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব বুঝে নেন। ১০ জন সহকারী নিয়ে অত্যন্ত সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে প্রায় ১৪ হাজার গ্রাহকের সেবা দিয়ে মাথা উঁচু করেই রূপালী ব্যাংক কেন্দুয়া শাখার সম্মানকে আরো এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন মোহাম্মদ খায়রুল ইসলাম। অনলাইন সেবায়ও পিছিয়ে নেই রূপালী ব্যাংক। ১৯৮২ সালের ৭  জানুয়ারী কিশোরগঞ্জের সদর উপজেলায় দামপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার  পিতা মৃত ফজর আলী, মাতা মোছাঃ হালিমা খাতুন। ৩ ভাই ৫ বোনের মধ্যে তিনি মধ্যম। ১৯৯৭ সালে কিশোরগঞ্জ যশোদল উচ্চ বিদ্যালয় থেকে প্রথম বিভাগে এস.এস.সি এবং ১৯৯৯ সালে গুরুদয়াল সরকারি কলেজ থেকে প্রথম বিভাগে এইচ এস সি পাস করেন। ২০০৪ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এস.সি ফিসারিজ (অনার্স), ২০০৬ সালে এম.এস.সি একুয়া কালচার পাস করেন। তিনি ইনষ্টিটিউট অব  ব্যাংকার্স বাংলাদেশ ঢাকা থেকে ব্যাংকিং ডিপ্লোমা পার্ট-২ ২০১৩ সালে সম্পন্ন করেন। ২০১২ সালে তিনি আফরিন সুলতানা সহকারী শিক্ষক ধরগাও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। দুই সন্তানের মধ্যে বড় মেয়ে সিদরাতুল মুনতাহার বয়স ৭ বছর ছোট ছেলে মিফতাহুল ইসলাম মুনিফের বয়স ৩ বছর ৫ মাস। ২০০৯ সালে ১৫ মার্চ জোনাল অফিস ময়মনসিংহে কর্মে যোগদান করার পর ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, সিলেট, হবিগঞ্জ জেলার বিভিন্ন শাখায় সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি বলেন, সততার সঙ্গে গ্রাহকদের উন্নত সেবা দিয়ে ব্যাংকের মর্যাদা বাড়াতে সকলের আন্তরিক সহযোগিতা চাই।