নেত্রকোনায় ঐতিহাসিক ঘুড়ি উৎসব 

নেত্রকোনায় ঐতিহাসিক ঘুড়ি উৎসব 

 নেত্রকোনা প্রতিনিধি ঃ নেত্রকোনা সদর উপজেলার কালিয়ারা গাবরাগাতি ইউনিয়নের নারিয়াপাড়া গ্রামে শনিবার ঐতিহ্যবাহী ঘুড়ি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় ইউনিনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে শনিবার রাত ৮টায় উৎসব উদ্বোধন করেন ইউপি চেয়ারম্যান আলী আজগার খান পাঠান শারিফ। এতে প্রধান অথিতি ছিলেন মহিলা সংসদ সদস্য হাবিবা রহমান খান শেফালী। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন- নারী নেত্রী সৈয়দা শামছুন্নাহার বিউটি।
 এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ঐতিহাসিক ওই ঘুড়ি উৎসবে সদর উপজেলার কালিয়ারা গাবরাগাতি ইউনিয়নের নারিয়াপাড়া, গাবরাগাতি, বাঁশাটি, রাজাপুর, হাতকুন্ডলী, পাটলী, কুমারপুর আগুনহাটী, ছেওপুর, বোবাহালা কলমাকান্দার কৈলাটী ইউনিয়নের বিষমপুর, সিধলীসহ আশপাশের প্রায় ২০টি গ্রামের মানুষ ঘুড়ি উৎসবে অংশ গ্রহন করে। ঘুড়ি উৎসব এলাকার হাজানো মানুষের মিলন মেলায় পরিনত হয়।
   নেত্রকোনা সদর উপজেলার কালিয়ারা গাবরাগাতি ইউনিয়নের ওই সমস্ত গ্রামের আকাশের শনিবার রাতের আধারে জলে উঠেছিল বিভিন্ন রং বেরংয়ের শতশত ছোট বড় ঘুড়ি। এলাকার হাজারো মানুষ, মাঠে, সড়কে, বাড়ির সামনে, খোলা জায়গায় দাড়িয়ে আনন্দ উপভোগ করেন। 
ঘুড়ি উৎসব শেষে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে প্রধান অতিথি হিসেবে পুরস্কার বিতরণ করেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য হাবীবা রহমান খান শেফালী। ঘুড়ি উৎসবের আয়োজন দুই ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়। এক ক্যাটাগরিতে নৌকা নমুনার ঘুড়ির মালিক গুনু মিয়াকে প্রথম পুরস্কার হিসেবে মোবাইল পুরস্কার পান। একই ক্যাটাগরিতে কামরুলকে দ্বিতীয় পুরস্কার হিসেবে ফ্যান ও তৃতীয় পুরস্কার ছাতা পেয়েছেন আবদুল হামিদ। অপরদিকে ডিজিটাল বাতি জ্বালানো ঘুড়ি উড়ানোয় প্রথম হয়ে মোবাইল পেয়েছেন মো. শাহজাহান, দ্বিতীয় হয়ে ফ্যান পেয়েছেন আবদুস ছামেদ ও তৃতীয় পুরস্কার ছাতা পেয়েছেন মেরাজ আলী। 
 ঘুড়ি উৎসবের আয়োজক ইউপি চেয়ারম্যান আলী আজগার খান পাঠান শারিফ বলেন, ঘুড়ি উড়ানো আমাদের গ্রাম বাংলার ঐতিহ্য। ওই ঐতিহ্য এখন আমাদের মাঝ থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে। এলাকার মানুষ ঘুড়ি উৎসব দেখে এবং অংশ গ্রহন করতে পেওে আনন্দ উপভোগ করতে পেরেছে।