কেন্দুয়ায় নিন্ম মানের সামগ্রীর ব্যবহার ধসে পড়ল এলজিইডির ব্রীজ

কেন্দুয়ায় নিন্ম মানের সামগ্রীর ব্যবহার ধসে পড়ল এলজিইডির ব্রীজ

মহসীন, কেন্দুয়া  প্রতিনিধি ঃ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় বিভিন্ন কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে। নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহার করার ফলে নির্মান কাজ শেষ না হতেই ধসে পড়ল এলজিইডির একটি ব্রীজ। কেন্দুয়া উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়নের আমলিতলা বাজার থেকে সরাপাড়া সড়কে এ ব্রীজটির নির্মান কাজ চলছিল। নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহার করে দায়সারাগোছের কাজ করে আসার ফলে এ ব্রীজটি ধসে পরে যায়। এতে এলাকার জনমনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এলজিইডির অর্থায়নে কেন্দুয়া উপজেলার বলাইশিমুল ইউনিয়নের আমলিতলা বাজার হতে সরাপাড়া সড়কটির পাকা করণের কাজ চলছে। ওই সড়কের দুই খালের উপর দুইটি ব্রীজ নির্মানাধীন। তবে আমলিতলা বাজারের সন্নিকটে নির্মাধীন ব্রীজের এপ্রোসে মাটি দেওয়ার সময় ধসে পরে যায় ব্রীজের একটি অংশ। এলাকাবাসীর অভিযোগ ব্রীজের ধসেপরা অংশে হাত দিলেই খসে পরে যায় ব্যবহৃত সিমেন্ট এবং বালু। প্রভাবশালী ঠিকাদার এই ব্রীজের নির্মানকাজ করে আসার ফলে কোন নিয়মনীতি মানা হচ্ছেনা। স্থানীয় আজমল হোসেন নামে এক ব্যক্তি জানান, সরকারি দলের একজন শক্তিশালী ঠিকাদার এই ব্রীজের নির্মান কাজ করায় অফিসের লোকজন তদারকি করতেও খুব একটা আসেন না। তিনি এলাকাবাসীর পক্ষে এই ব্রীজটি ভেঙ্গে পুনরায় নির্মান করে দেয়ার দাবী জানান। না হয় এ নিয়ে তারা এলাকায় বিক্ষোভ করবেন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের কেন্দুয়া উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ জাকির হাসানের কাছে এ ব্রীজের নির্মান কাজ শেষ না হতেই ধসে যাওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, আমি এখানে নতুন এসেছি। এই কাজটি কে করছে তা এই মুহুর্তে আমার জানা নেই। তবে সরেজমিন পরিদর্শনে গিয়ে যদি দেখা যায় কাজটি নিয়মমাফিক হয়নি, তবে পুনরায় সঠিক নির্মান কাজ করে না দিলে ওই ঠিকাদারকে কোন প্রকার বিল পরিশোধ করা হবে না।