দুর্গাপুরে ইউএনও‘র হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো অবৈধ বালু উত্তোলন

দুর্গাপুরে ইউএনও‘র হস্তক্ষেপে বন্ধ হলো অবৈধ বালু উত্তোলন


দুর্গাপুরে(নেত্রকোনা)প্রতিনিধি: নেত্রকোনার দুর্গাপুরে পাইকপাড়া-কুমুদগঞ্জ এলাকায় সোমেশ^রীর শাখা নদী থেকে সরকারী নির্দেশনা উপক্ষো করে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধ করার খবর পাওয়া গেছে। বাংলা ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে হুমকির মুখে ছিলো সহস্রাধিক বসতবাড়ি ও স্থাপনা। সরকারি কোন ইজারা না থাকায় রাজনৈতিক ছত্রছায়ায়, স্থানীয় সংসদ সদস্যের নাম ভাঙ্গিয়ে দেদারসে বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল ওই নদী থেকে। লকডাউন ভেঙ্গে প্রশাসন কে বৃদ্ধঙ্গুলী দেখিয়ে বালু উত্তোলন করছিলো ওই এলাকার নানা অপকর্মের ডন লালা মিয়া।

    এ নিয়ে শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে, বাকলজোড়া ইউনিয়নের শেষ ও কলমাকান্দা উপজেলার কৈলাটি ইউনিয়নের শুরুর দিকে অবস্থিত সোমেশ^রী নদীর ঐ বৃহৎ অংশটুকু সরকারী ভাবে কোন বালুমহালের ইজারা না থাকার ফলে রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে বালু উত্তোলন। ওই নদীর ওপর কোন সেতু না থাকায় বাংলা ড্রেজার দিয়ে খেয়াল খুশিমতো বালু উত্তোলন করায় পাইকপাড়া ও আব্বাসনগর সহ বেশ কিছু গ্রাম হুমকির মুখে রয়েছে।

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই এলাকার এক কৃষক বলেন, প্রতিবছর শুকনা মৌসুম থেকেই ওই নদীতে বাংলা ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করা হয়। প্রতিদিন প্রায় ৪০ থেকে ৫০টি ট্রাক্টর দিয়ে এই বালু পরিবহন করা হয়। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ করেও কোন কাজ হয়নি। সামনে বর্ষা মৌসুম, এভাবে বালু উত্তোলন করলে নদীর দুই পার আরো ভেঙ্গে যাবে, এতে যে কোন মহুর্তে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা।

    এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফিক, এর সত্যতা স্বীকার করে বলেন, আমি বারং বার নিষেধ করে উপজেলা প্রশাসনের কাছে অভিযোগও দিয়েছি, প্রশাসনের পক্ষ থেকে জরুরী ড্রেজার গুলো গুড়িয়ে দেয়ার উদ্দ্যেগ না নিলে সামনের বর্ষায় ওই এলাকার নদীর পাড় ভেঙ্গে বিলীন হয়ে যেতে পারে হাজারো ঘরবাড়ী।

    এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, বালু উত্তোলনের বিষয়টি এর আগেও শুনেছি নিষেধও করা হয়েছে বারং বার। শুক্রবার বিকেলে সরেজমিনে গিয়ে অবৈধভাবে বসানো বেশ কিছু বাংলা ড্রেজার গুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। এর পরেও কেউ বালু উত্তোলনের চেস্টা করলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।