যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি আক্কল মেম্বারের হুকুমে পঙ্গু ছেলেকে মারধর

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি আক্কল মেম্বারের হুকুমে পঙ্গু ছেলেকে মারধর

বারহাট্টা উপজেলা প্রতিনিধি :নেত্রকোনা বারহাট্টা উপজেলা বাউসী ইউনিয়নের হারু লিয়া নোয়াপাড়া গ্রামের অসুস্থ শান্তু মিয়ার বড় ছেলে হারুন অর রশিদ কে খুলের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্ত আসামি আক্কল মেম্বার ও তার ভাই বাচ্চু মেম্বারের হুকুমে তার বাহিনী এলোপাতাড়ি ভাবে পিটিয়ে আহত করে। ঘটনাটি ঘটেছে শ্রীরামপুর নয়া বাজার অবুল মিয়ার মনোহারি দোকানের সামনে। গত বৃহস্পতিবার হারুন মিয়ার চাচাতো ভাইয়ের সাথে একেই গ্রামের জুলহাসের কাজের টাকা নিয়ে ঝগড়া  হয়।
এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করে শনিবার সালিশ করে মিমাংসা করার কথা,দুপুর ১১ টা থেকে সালিশে বসেছিল এলাকার মাতাব্বর গন, এক পর্যায়ে দরবারে বাহিরের গ্রামের মাতাব্বর দের দেখে আক্কল মেম্বার ও বাচ্চু মেম্বার বাদীপক্ষের দিকে উত্তেজিত হয়ে পড়ে,আক্কল মেম্বার সালিশের মাঝখানেই বলে আমার উপর মাদবরডা কেলা এঁদের জ্বিবা কেটে দেয়। তার কথা শুনে জিয়াউর রহমান, শফিকুল, জুলহাস,চা এর দোকানদার বাচ্চু মিয়া,রফিকুল ইসলাম সহ তার সন্ত্রাসী বাহিনী হারুনের বাড়ির সকলের উপর হামলা করে বসে, এই সময় এলাকার মাতাব্বর গন উপস্থিত ছিলেন, তাদেরকেও বিভিন্ন  ভাবে অপমানিত করা হয়েছে,এই ব্যপারে বারহাট্টা আসমা ইউনিয়নের জাতীয় পার্টির সভাপতি শহিদ খান বলেন,আক্কল মেম্বারযে এত বদমায়েশ তা এখানে না আসলে জানতাম না,আসমা ইউনিয়নের সাবেক মেম্বার শহিদুল ইসলাম খোকন বলেন এই ঝগড়া মারামারির জন্য সম্পূর্ণ আক্কল মেম্বার ও তার ভাই বাচ্চু মেম্বার দায়ী,আমরা তাদের কাজের নিন্দা জানাই, কয়েকশত লোকের সামনে এঁদের আচরণে আমরা হতবাক।
এরা জানোয়ার কেও হার মানিয়েছে,আসমা ইউনিয়ের ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আঃ মজিদ সাহেব বলেন বাচ্চু একটা মেম্বার হয়ে আমাদের সাথে যে আচরণ করেছে তাই ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়,আমাদের কে মানবে না তা আগে বললেই পারতো, আমাদের সামনে এই পঙ্গু ছেলেটাকে মারা টিক হয়নি,  আহত হারুন মিয়া বলে আমি পঙ্গু মানুষ সবাই তাদের ভয়ে দৌড়ে পালিয়েছে,আমার পা দুটি অচল আমি পালাতে পারিনি,আমাকে একা পেয়ে খুনি আক্কল মেম্বারের হুকুমে সে সহ তার লোকজন এলোপাতাড়ি পিটিয়ে আহত করেছে,আমার বাবা অসুস্থ, করোনা ভাইরাসের কারনে এক সপ্তাহ ধরে আমার কোন ইনকাম না,এখন আবার বাচ্চু মেম্বার বলেছে আমি ঘর থেকে বাহির হলেই আমার হাত গুলোও পঙ্গু করে দেবে,


আমি সরকারের কাছে সঠিক বিচার চাই। সরকার আমাকে পঙ্গু ভাতা কার্ড করে দিয়েছে, তিন মাস পর পর সরকার আমাকে  ২১০০ টাকা দেয়,এই গুলো দিয়ে আমি চলি,সরকারের কাছে আমি কৃতজ্ঞ,আমি এদের হুমকিতে আতংকিত,  বাউসী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ তারেক হবি সাহেবের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন বিষয়টি তিনি দেখবেন, হারুন মিয়ার বাবা বলেন এরা খুনি এরা আমার পঙ্গু ছেলেটাকে মেরে পেলবে আমি অসুস্থ মানুষ আমি সরকারের কাছে আক্কল মেম্বার ও তার ভাই বাচ্চু মেম্বার সহ তার লাঠিয়াল বাহিনীর বিচার চাই। এই ব্যপারে হারুন অর রশিদ আজ বিকাল চার টায় বারহাট্টা থানায় লিখিতো একটি অভিযোগ দিয়েছে।