ডাক্তার নেই মদনে ভূয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নামে রমরমা ব্যবসা

ডাক্তার নেই মদনে ভূয়া ডায়াগনস্টিক সেন্টারের নামে রমরমা ব্যবসা

ফয়েজ আহম্মদ হৃদয়
মদন প্রতিনিধিঃ নেত্রকোনার মদনউপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের হাটশিরা বাজারে রেজিস্ট্রেশন বিহীন  তাসপ ডিজিটাল ডায়াগস্টিক সেন্টারে নামিদামী ডাক্তারের প্রচারণা চালিয়ে  রমরমা ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। শুক্র ও সোমবার  চিকিৎসা সেবা  প্রদানের নামে মাইকিং করে নামিদামী ডাক্তারের প্রচারণা চালিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারনা করা হচ্ছে বলে একাধিক অভিযোগ উঠেছে।  প্রশাসনের নাগালের বাইরে প্রত্যান্ত অঞ্চলে গড়ে ওঠায় এই ডায়াগস্টিক সেন্টারের মালিক  ও ঔষধ বিক্রেতা  তাপস  অবাধে দুই বছর যাবত এই অবৈধ ক্লিনিক ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে।    
 
বৃহস্পতিবার সরজমিনে গেলে, উক্ত ডায়াগনস্ট্রিক সেন্টারের কোন কাগজ পত্র দেখাতে পারেনি এমনকি ঘরের ভেতর আল্ট্রাসনোগ্রাম,ইসিজি,এনালাইজার মেশিন থাকলেও ডাক্তার,ট্যাকনেশিয়ান,টেকনোলজিষ্ট পাওয়া যায়নি।
ডাগায়গনস্টিক সেন্টার চালু করতে চাইলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইসেন্স, জাতীয় পরিচয় পত্র,ট্রেড লাইসেন্স,আয়কর প্রত্যয়ন পত্র,ভ্যাট রেজিস্ট্রেশন,অনাতিপত্র,বর্জপদার্থ অপসারনের চুক্তিপত্র,পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র,ফায়ার সার্ভিস লাইসেন্স,শিল্প ও কলকারখানা প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স,প্যাথলজিষ্ট,টেকনোলজিষ্ট ও ডাক্তারের সম্মতিপত্র ও ডাক্তারের সার্টিফিকেট  স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানের নামে এ সব কাগজ পত্র থাকার কথা থাকলেও উক্ত প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পরিচয়পত্র ও ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া আর অন্য কোন কিছুই দেখাতে পারেনি।

এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী রোগী ফতেপুর গ্রামের জায়দা ও আলমশ্রী গ্রামের জাহেরা জানান,মাইকে বড় ডাক্তারের প্রচারণা শোনে তাপস ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ১৫/২০দিন আগে চিকিৎসা করি। তারা বিভিন্ন পরীক্ষা করে আমাদেরকে ঔধষ পত্র দেয়। কিন্তু কোন কাজ হয়নি। পরে ময়মনসিংহে চিকিৎসা নিয়ে ভাল হয়েছি। আমাদের মতো আর কোন রোগী এমন প্রতারণার স্বীকার না হয় সে ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

এ ব্যাপারে ক্লিনিকের মালিক তাপস জানান,কাগজপত্রের জন্য আবেদন করব। মাঝে মধ্যে কদ্দুছ ডাক্তারের ছেলে ডাক্তার  একে এম রিফাত সাইদ আসেন। তিনি রোগী দেখেন ও আলট্রা পরীক্ষা করেন।  

উপজেলা স্বাস্থ্য প্রশাসক ডাক্তার ফকরুল হাসান চৌধুরী টিপু জানান, এ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ব্যাপারে আমি অবগত নই। তবে অচিরেই এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ ওয়ালীউল হাসান জানান,জনগণের সাথে প্রতারণা করার কোন সুযোগ নেই। আমি দ্রুত এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।