কেন্দুয়ায় গোপন বৈঠক চলাকালে জামাত নেতা গ্রেফতার : ৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

কেন্দুয়ায় গোপন বৈঠক চলাকালে জামাত নেতা গ্রেফতার : ৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা

 কেন্দুয়া, প্রতিনিধি :সরকার ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র এবং জনমনে আতংক সৃষ্টিসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নাশকতার পরিকল্পনায় গোপন বৈঠক চলাকালে কেন্দুয়া উপজেলা জামাতের সেক্রেটারী সাদেকুর রহমান সাদেককে পৌরশহরের শান্তিবাগ মহল্লার নিজ বাসা থেকে শনিবার রাতে গ্রেফতার করা হয়। তার গ্রামের বাড়ি কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের বান্দনাল গ্রামে। বাবার নাম মৃত আক্তার হোসেন। এ ঘটনায় জামাত নেতা সাদেকুর রহমান সাদেক সহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে রোববার কেন্দুয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। প্্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পর রোববার বিকালে তাকে পুলিশী প্রহরায় নেত্রকোণা আদালতে পাঠানো হয়েছে। পুলিশ জানায়, সাদেকুর রহমান সাদেককে গ্রেফতার অভিযানের সময় অন্যান্যরা দৌড়ে পালিয়ে যায়। এ সময় পুলিশ তার বাসা থেকে জামাতকে নিশ্চিহ্ন করার আওয়ামীলীগের ষড়যন্ত্র শির্ষক বই দেলোয়ার হোসেন সাইদী, মতিউর রহমান নিজামী, মওদুদি বাদী, যুদ্ধ অপরাধের অভিযোগ বানোয়াট মিথ্যা শিরোনামে জামাতের প্রকাশিত বই সহ ৩০/৩৫টি বই উদ্ধার করে। পুলিশ জানায় জামায়াতে ইসলাম বাংলাদেশের ছত্রছায়ায় সরকার ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও জনমনে আতংক সৃষ্টির লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, হাসপাতাল, রাস্তা ঘাট ও বিভিন্ন প্রশাসনিক ভবন ধ্বংস করে দেয়ার কার্যকলাপের পরিকল্পনায় গোপন বৈঠক বসিয়েছিল উপজেলা জামাতের সেক্রেটারী সাদেকুর রহমান সাদেকের বাসায়। দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্নপ্রকার রাষ্ট্রবিরোধী বই পুস্তক বিতরন সহ নানা প্রকার অশুভ কর্মকান্ডে লিপ্ত ছিল। পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সাদেকুর রহমান সাদেক অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেয়। কেন্দুয়া থানার ওসি মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান জানান, গোপন বৈঠক চলাকালে উপজেলা জামাতের সেক্রেটারী সাদেকুর রহমান সাদেককে গ্রেফতার করে নেত্রকোনা আদালতে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। সাদেককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে আরো ৭ দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে বলে জানান, ওসি মোহাম্মদ রাশেদুজ্জামান।