দেশে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না ঃ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

 দেশে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না ঃ প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

 নেত্রকোনা প্রতিনিধি ঃ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু এদেশকে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন, তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে সমাজে পিছিয়ে পড়া সুবিধা বঞ্চিত মানুষকে এগিয়ে আনার জন্য সমাজ সেবা বিভাগের মাধ্যমে নানা ধরণের পদক্ষেপ গ্রহন করেন। বর্তমান সরকার সমাজে পিছিয়ে পড়া সুবিধা বঞ্চিত মানুষকে মূল ¯্রােতে ফিরিয়ে আনা ও তাদের জীবন মান উন্নয়নের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। দেশে একজন লোকও গৃহহীন থাকবে না। সরকার তাদের গৃহ নির্মাণ করে দেবে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচীর আওতায় বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, দুগ্ধ ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাসহ ব্যাপক কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে চলেছেন। অনেকেই অটিজম বা প্রতিবন্ধী শিশুদের সমাজের বোঝা মনে করেন। অনেক বাবা-মা ও পরিবারের লোকজনও মান সন্মানের ভয়ে তাদেরকে লোক চক্ষুর অন্তরালে রাখতে বেশী পছন্দ করেন। অটিজম বা প্রতিবন্ধীরা সমাজের বোঝা নয়। পরিবারের যতœ, ভালবাসা, সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ পেলে তারাও যে আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে দেশের মান মর্যাদা বৃদ্ধি করতে পারে তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্পেশাল অলিম্পিক গেইমস্। সম্প্রতি স্পেশাল অলিম্পিক গেইমসে প্রতিবন্ধীরা দেশের জন্য ২০টি স্বর্ণ পদক ছিনিয়ে এনেছেন। তিনি সমাজ সেবা বিভাগকে সততা নিষ্টা ও আন্তরিকতার সহিত কাজ করার উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় সমাজ সেবা দিবস উপলক্ষ্যে নেত্রকোনা সমাজ সেবা অধিদপ্তর ও জেলা প্রশাসন য়াজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ আলী খান খসরু এমপি এসব কথা বলেন।
 নেত্রকোনা জেলা প্রশাসক মঈনউল ইসলামের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন- মহিলা সংসদ সদস্য হাবিবা রহমান খান শেফালী, পুলিশ সুপার আকবর আলী মুনসী, জেলা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো. আলাউদ্দিন, শহর সমাজ সেবা কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন, বেসরকারী সংস্থা সেরা’র নির্বাহী পরিচালক এস এম মজিবুর রহমান প্রমূখ। পরে প্রধান অতিথি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে সুদমুক্ত ক্ষুদ্র ঋণ, প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্র দের মাঝে শিক্ষা উপবৃত্তি এবং নৃ-গোষ্ঠীর দুস্থ ও দরিদ্রদের মাঝে আর্থিক অনুদান বিতরণ করেন। এর আগে মোক্তারপাড়া মাঠ থেকে একটি বর্ণাঢ্য র‌্যালী বের হয়ে প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়।