নেত্রকোনায় আড়ত ও খুচরা বাজারে শাক সব্জির দামের বিস্তর ফারাক

নেত্রকোনায় আড়ত ও খুচরা বাজারে শাক সব্জির দামের বিস্তর ফারাক

কে এম আব্দুল্লাহ, নেত্রকোনা : নেত্রকোনায় আড়ত খুচরা বাজারে শীতকালীন শাক সব্জির দামের বিস্তর ফারাক থাকায় একদিকে উৎপাদনকারীরা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে অপরদিকে মধ্য স্বত্তভোগীরা অধিক মুনাফা লাভ করে আঙ্গুল ফুলে কলা গাছ হয়ে যাচ্ছে।
  গতকাল রবিবার সকালে জেলা শহরের আড়ত মেছুয়া বাজার পরিদর্শনকালে দেখা যায়, আড়তে যে কাঁচা মরিচ ২৫টাকা কেজি ধরে বিক্রি হচ্ছে, সেই কাঁচা মরিচ মাত্র ১০ হাত দূরে ৪০ টাকা, সীম আড়তে টাকা, বাজারে ১৫ টাকা, ফুল কপি আড়তে ১০ টাকা, বাজারে ১৫ টাকা, বাঁধা কপি আড়তে ১৫ টাকা, বাজারে ২০টাকা, টমেটো আড়তে ৬টাকা, বাজারে ১৫ টাকা, বেগুন আড়তে ৮টাকা, বাজারে ২০টাকা, গাজর আড়তে ১৪ টাকা, বাজারে ২০ টাকা, করলা আড়তে ৩৫ টাকা, বাজারে ৪৫ টাকা, আলু আড়তে ১৬ টাকা, বাজারে ২২ টাকা, পেঁয়াজ আড়তে ১৪ টাকা, বাজারে ২০ টাকা, রসুন আড়তে ৫০ টাকা, বাজারে ৬০ টাকা, হলুদ আড়তে ১২০ টাকা, বাজারে ১৩০টাকা, আদা আড়তে ৯০ টাকা, বাজারে ১২০টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
সচেতন মহলের অভিমত, আড়ত বাজারে নিয়মিত মনিটরিং না থাকায় উৎপাদনকারীরা ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, অপরদিকে ক্রেতা সাধারণ অধিক মূল্যে বাজার থেকে শাকসবজি কিনতে বাধ্য হচ্ছে। তার অবিলম্বে ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন।   
 মোহনগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষায় ভুল প্রশ্ন সরবরাহ
 নেত্রকোনা প্রতিনিধি নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিন শনিবার মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি  উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে বাংলা ১ম পত্র পরীক্ষায় ভুল প্রশ্ন সরবরাহ করা হয়। পরে সঠিক প্রশ্ন সরবরাহ করে সময় বাড়িয়ে পরীক্ষা গ্রহন।
 জানা গেছে, চলতি ২০১৯ সনের প্রশ্নের পরিবর্তে গত বছর ২০১৮ সনের প্রশ্ন পরীক্ষা কেন্দ্রে সরবরাহ হয়। পরীক্ষার্থীরা এক ঘন্টারও বেশি সময় ধরে সরবরাহ করা ওই ভুল প্রশ্নে পরীক্ষা দেয়। পরে বিষয়টি ধরা পড়লে তোলপাড় শুরু হয়। তখনই কর্তৃপক্ষের নজরে এলে নতুন করে প্রশ্ন সরবরাহ করে পরীক্ষা নেয়া হয়। এতে করে পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তির পাশাপাশি সময়ও বেশি লাগে। একজন এসএসসি পরীক্ষার্থীর অভিভাবক ফজলুল রহমান অভিযোগ করে জানান, ভুল প্রশ্নে প্রায় দেড় ঘন্টার মত পরীক্ষা নেয়া হয়।
 মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের সচিব ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা ছায়া সাহা সততা স্বীকার করে বলেন, মোট ৩টি কক্ষে ভুল প্রশ্ন সরবরাহ করা হয়েছিল। পরে সঠিক প্রশ্ন সরবরাহ করে পরীক্ষা নেয়া হয়েছে।
 মোহনগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত ইউএনও রেজাউল করিম জানান, যখনই ভুল প্রশ্নের বিষয়টি ধরা পড়ে তখনই তা পরিবর্তন করে সঠিক প্রশ্ন সরবরাহ করা হয়। নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে কোন অসন্তোষ নেই