মোহনগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ২ বসত ঘর সহ ১০টি দোকান পুড়ে ছাই

মোহনগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ২ বসত ঘর সহ ১০টি দোকান পুড়ে ছাই

এ কে এম আব্দুল্লাহ, নেত্রকোনা ঃ নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ পৌর শহরে সিনেমা হল রোডে সোমবার শেষ রাতে এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে দুইটি বসত ঘর সহ ১০টি দোকান পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
        স্থানীয় এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, সোমবার দিরাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে মোহনগঞ্জ পৌর শহরের সিনেমা হল রোডের জ্যোতি সাহার ওয়ার্ক শর্প থেকে অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়। মূহুর্তে আগুনের  লেলিহান শিখা চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মোহনগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের দুটি ও নেত্রকোনা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় প্রায় সাড়ে চার ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়। ততক্ষণে মানিক সাহার ওয়ার্ক শর্প, আব্দুর রাশিদের মেশিনারী পার্সের দোকান, দুদু মিয়ার বস্তার গোদাম, পরিমলের মুদির গোদাম, নূর আহম্মদের সুতা জাল ও ত্রিপালের গোদাম, লালন মিয়ার সুতা জাল ও ত্রিপালের দোকান, সোহরাব মিয়ার সুতা জাল ও ত্রিপালের দোকান, রবির মুদির দোকান এবং হাসান শেখের বসত ঘর ও হ্যাপী চৌধুরীর বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
          পাটের খালি বস্তা ব্যবসায়ী দুদু মিয়া কান্না জড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার গোদাম ঘরে প্রায় ১৪/১৫ লাখ টাকা মূল্যের পাটের খালি বস্তা মজুত রাখা ছিল। আগুনে পুড়ে আমার সব শেষ হয়ে গেছে।
         মোহনগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ইনচার্জ মোঃ মকবুল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, জ্যোতি সাহার ওয়ার্ক শর্পের বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুণের সূত্রপাত হয়েছে। চারে চার ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে মোহনগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মী শফিকুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান আহত হন। অগ্নিকান্ডে দুইটি বসতঘরসহ ১০টি দোকান পুড়ে গেছে। তিনি আরো বলেন, আগুণে পুড়ে যাওয়া ঘর ও মালামালের ক্ষয়-ক্ষতির পরিমান প্রায় কোটি টাকার মতো হবে বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে।
        মোহনগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরিফুজ্জামান বলেন, আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। অগ্নিকান্ডে ক্ষয়-ক্ষতির সঠিক পরিমাণ নিরুপণ করার জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।