উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে পেয়ে আবেগ আপ্লুত শিবপুর গ্রামবাসী

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে পেয়ে আবেগ আপ্লুত শিবপুর গ্রামবাসী

মহসীন কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি ঃ  কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) আল ইমরান রুহুল ইসলাম নিজ চোখে দেখলেন শিবপুর গ্রামবাসীর যোগাযোগের কষ্ট। তিনি তার মানবিক গুণাবলীর প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে উপস্থিত গ্রামবাসীর উদ্দেশ্যে বলেন, যোগাযোগ ক্ষেত্রে এসব সমস্যার সমাধান হওয়া খুব জরুরী। প্রাশাসনিক ভাবে তার ক্ষমতার পরিধি যতখানি আছে তা দিয়ে তিনি গ্রামবাসীর যোগাযোগ ক্ষেত্রের দূর্দশা দূর করার চেষ্ঠা করবেন। এই প্রতিবেদন সঙ্গে থাকায় গ্রামবাসীর প্রতি তার মর্মবেদনার বিষয়টি খুব কাছ থেকে উপলব্দি করেছি। উপজেলার গন্ডা ইউনিয়নের শীবপুর মধ্যপাড়া গ্রামে উপজেলা তথ্য অফিসের উদ্যোগে ছিল মহিলাদের ক্ষমতায়নে উঠান বৈঠক। এ বৈঠকের প্রধান অতিথি তিনি। শীবপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশের একটি বাড়িতেই শতাধিক নারী ও পুরুষের উপস্থিতিতে এ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তারগাড়িতে চড়ে সেখানে যাওয়ার কোন উপায় নেই কারণ রাস্তাটি কাঁদায় খানা খন্দে ও গর্তে ভরা। একটি অটো রিকসা এই প্রধান অতিথি সহ অন্যান্যদের বহন করে নিতে আসলেও কিছুক্ষন গিয়ে গর্তে পরে আটকে যায়। পরে ৩/৪ জন মিলে ঠেলা ধাক্কায় অকেন কষ্ট করে গর্ত থেকে তোলা হয়। প্রাথমিক বিদ্যালয় যেতে সরকারি একটি হালটে খাল খনন প্রকল্পের পরিকল্পনার কথা জানালেন ওই গ্রামের দুই মুক্তিযোদ্ধা সহ গ্রামবাসী। তাদের দাবী খালটি যে দিক দিয়ে আছে সে দিক দিয়ে খনন করা হোক। আর যে দিক দিয়ে খাল খনন করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে তা বসত বাড়ির উপর দিয়েই। তারা বলেন, এই দিক দিয়ে খাল খনন করা হলে সরকারের অনেক টাকা খরচ হবে বাড়তি। তা ছাড়া আমাদের ক্ষতিও হবে অনেক বেশি। সারা জীবন এই খালের জন্য আমরা কষ্ট করব। সেজন্য তারা এই দিক দিয়ে খাল খনন প্রকল্পটি বন্ধের জন্য জোর দাবী জানান। ইউএনও গ্রামবাসীর কথা শুনেন এবং তিনি নিজ চোখে সমস্যার বিষয়টি দেখে বলেন, এ বিষয়ে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে। সরকারি হালটে কোন প্রকল্প করতে হলে সরকারের অনুমতি লাগবে। যখন আমাদের অনুমতি চায় তখন জনস্বার্থের ও সরকারি স্বার্থের বিষয়টি আমরা বিবেচনায় নিয়েই কাজ করব। নিজ চোখে শীবপুর গ্রামবাসীর কষ্ট দেখে তিনি গ্রামবাসীকে আশ্বস্থ করে বলেন, আপনাদের কষ্ট ক্রমান্বয়ে দূর হবে। গ্রামবাসীও তার কথা শুনে অনেক কৃতজ্ঞতা জানান।