কেন্দুয়ায় বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবসে র‌্যালী ও আলোচনা

কেন্দুয়ায় বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবসে র‌্যালী ও আলোচনা

মহসীন কেন্দুয়া (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি ঃ কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার তাজরীনা তৈয়ব বলেছেন, জলাতঙ্ক রোগীর কী যে কষ্ট তা না দেখলে বুঝার উপায় নেই। তিনি বলেন, জলাতঙ্ক রোগ প্রতিরোধ ও রোগ বিষয়ে সচেতন করতে সমাজের সকল মহলে প্রচারকার্য চালাতে হবে। এজন্য শুধু স্বাস্থ্য ও প্রাণী সম্পদ বিভাগ নয়, সকল শ্রেণী পেশার মানুষকে জলাতঙ্ক রোগ প্রতিরোধে এগিয়ে আসতে হবে। ডাক্তার তাজরীনা তৈয়ব আরো বলেন প্রাণীদের সঙ্গে ভাল আচরণ করতে হবে। কুকুর, বিড়াল, শিয়াল ও বেজী থেকে সাবধান থাকতে হবে। দূরে রাখতে হবে বাচ্চাদের কে। ভ্যাকসিনেশন করতে হবে কুকুর কে। কুকুর, বিড়াল বা শিয়ালে কামড়ালে এখনো গ্রামের মানুষ লবণ পরা, পানি পরা, কলা পরা ইত্যাদি খাওয়ান। কিন্তু তা সম্পূর্ণ অজ্ঞতা। কোন পোষা প্রাণী কামড়ালেও অবশ্যই ভ্যাকসিন দিতে হবে। ভ্যাকসিনের কোন বিকল্প নেই। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জুনোটিক ডিজিট কনট্রোল প্রোগ্রাম সিডিসির সহযোগিতায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও প্রাণী সম্পদ দপ্তরের আয়োজনে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস উদযাপন উপলক্ষে রোববার দুপুরে র‌্যালি শেষে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হল রুমে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার খোরশিদ দিলোয়ার ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সমকাল সাংবাদিক সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা। ডাক্তার খোরশীদ দিলোয়ার বলেন, জলাতঙ্ক রোগ দেখা দিলে রোগী পানি খায় না। তাকে অবশ্যই তিন দিনের মধ্যে ভ্যাকসিন দিতে হবে। এছাড়া প্রথমে আক্রান্ত স্থানে বাংলা সাবাদ দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে। তিনি ইচ্ছা করে কুকুর, বিড়াল ও অন্য প্রাণীকে আঘাত না করার জন্য পরামর্শ দেন। উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক সমরেন্দ্র বিশ্বশর্মা বলেন জলাতঙ্ক রোগ প্রতিরোধে সবাইকে সচেতন করতে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিসংখ্যান বিদ আব্দুল বাসেত চৌধুরীর সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য রাখেন এ্যাকমী কম্পানির প্রতিনিধি রুবেল আহমেদ সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক এ.বি.এম সিদ্দিকুর রহমান, দিলোয়ার আনসারী, স্বাস্থ্য পরিদর্শক খন্দকার শাহীনূর, স্বাস্থ্য পরিদর্শক ইনচার্জ আব্দুস সালাম ও সিনিয়র স্টাফ নার্স জাকিয়া আক্তার প্রমূখ।