ডিজিটাল বাংলাদেশে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্রের ব্যবহার ॥ বদলে দিবে অনেক কিছু

ডিজিটাল বাংলাদেশে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্রের ব্যবহার ॥ বদলে দিবে অনেক কিছু

একবিংশ শতাব্দীর বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় তথ্য প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট গভার্নেন্সের ক্ষেত্রে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র আমাদের মনে অনেক নতুন নতুন আশা জাগাচ্ছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্রের বহুবিধ ব্যবহার এবং সম্ভাবনাময় দিকগুলো সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো:

স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্রের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য ও ডিজাইন: এতে ২৫টির মতো নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সংযুক্ত আছে, ভোটারদের ৩২ ধরনের তথ্য সন্নিবেশিত আছে, এটি প্লাস্টিক পলিমার দিয়ে তৈরী তাই মজবুত এবং দীর্ঘস্থায়ী, কার্ডটি ১০ ডিজিটের এবং মেশিন রিডেবল, ভোটারদের ১০ আঙ্গুলের ছাপ এবং চোখের আইরিশ বিতরণের সময় সংযোজন করা হচ্ছে, বারকোড রিডার সংবলিত।
নান্দনিক ডিজাইনে স্থান পেয়েছে জাতীয় ফুল শাপলা, জাতীয় পাখি দোয়েল, জাতীয় স্মৃতিসৌধ, চা পাতা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন এবং বর্তমান জাতীয় পতাকা এবং জাতীয় সংগীত। এছাড়া কার্ডের ভিতরের একটি পাতায় রয়েছে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ।

স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্রের বর্তমান ব্যবহার : বিভিন্ন ধরনের নাগরিক সুবিধা, সরকারি বিভিন্ন ধরনের অনলাইন সুবিধা, ড্রাইভিং লাইসেন্স, পাসপোট, সম্পত্তি কেনাবেচা , টিআইএন প্রাপ্তি, বিয়ে রেজিস্ট্রেশন, ব্যাংক হিসাব খোলা, পুঁজিবাজারের শেয়ার বিক্রয় ও একাউন্ট খোলা, সরকারি বিভিন্ন ভাতা উত্তোলন, ট্রেড লাইসেন্স, যানবাহন রেজিস্ট্রেশন, মোবাইল সিম, রেজিস্ট্রেশন, বিদ্যুৎ সংযোগ প্রাপ্তি, ই-টিকেটিং, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ছাত্রী ভর্তি, আসামি ও অপরাধী শনাক্তকরণ।

স্মার্ট জাতীয় পরিচপত্রের ভবিষ্যৎ ব্যবহার: স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র এবং ভিসা দিয়ে পাসপোর্ট ছাড়া সার্কভুক্ত ৭টি দেশে ভ্রমণের  আলোচনা চলমান আছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ই-গেটিং পদ্ধতিতে এটি ব্যবহার করা যাবে। এটি  অনলাইন এবং অফলাইন দুই ভাবেই ব্যবহার করা যাবে। আশার কথা হলো বাংলাদেশের  তৈরী স্মার্ট  জাতীয় পরিচয়পত্র দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশের রপ্তানির সম্ভবনা তৈরী হয়েছে।
সংকলনে: মোঃ সিহাব উদ্দিন, উপজেলা নির্বাচন অফিসার, পূর্বধলা, নেত্রকোণা