ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্ধিতা করবেন স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা ও সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান রতন

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদন্ধিতা করবেন স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা ও সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান রতন

ইকরা প্রতিদিন ডেক্স : নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার বিশকাকুনী ইউনিয়ন থেকে আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে ইতিমধ্যে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন সাবেক ছাত্রনেতা মাহমুদুল হাসান রতন।
জানা যায়, নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যে তিনি এলাকায় প্রচার প্রচারনায় সময় দিচ্ছেন রীতিমতো। মাহমুদুল হাসান রতন একজন মেধাবী, সাহসী, দক্ষ সংগঠক, নিষ্ঠাবান, পরোপকারী, অন্যায়ের সাথে আপোষহীন যুবনেতা। দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণী পেশার মানুষের কাছে রয়েছে তার গ্রহনযোগ্যতা। ছোট থেকে বড় সকল বয়সী লোকজনের সাথে তার বন্ধু সুলভ সম্পর্ক। অন্য প্রার্থীদের চেয়ে তার রয়েছে নিজস্ব ভোট ব্যাংক। ইউনিয়নের ৯ টি ভোট কেন্দ্রের মাঝে ২ টি কেন্দ্রে রয়েছে একক আদিপত্য। এছাড়াও অন্যান্য কেন্দ্র গুলোতেও তার অবস্থান ঈর্ষনিও। সাংগঠনিকভাবে মাহমুদুল হাসান রতন এর রয়েছে ব্যাপক দক্ষতা। তিনি ১৯৯৯ সালে সপ্তম শ্রেনীতে অধ্যয়নরত অবস্থায় ছাত্রলীগের রাজনীতিতে জড়িত হন। পযার্য়ক্রমে বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে দলের কর্মসূচিতে তার অবস্থান ছিল বলিষ্ঠ হস্তে। সাংগঠনিকভাবে বর্তমানে রাজনৈতিকদলের পাশাপাশি সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠনেরও নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলিষ্ঠতার সাথে। একাধারে তিনি রাজনৈতিক দায়িত্ব পালন করছেন নেত্রকোনা জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-গনযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিষয়ক সম্পাদক। এছাড়াও তিনি প্রতিদিনের কাগজ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক। ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) ময়মনসিংহ শাখার সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সদস্য। সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন ময়মনসিংহ জেলা শাখার প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ও পূর্বধলা প্রেসক্লাবের সদস্য হিসেবে নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। মাহমুদুল হাসান রতন এর রাজনৈতিক জীবনের প্রারম্ভে যার দর্শন  বিরাজমান তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ কেন্দ্রীয় কার্য নির্বাহী সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন। তার দিক নির্দেশনায় দল, দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে নিবেদিত হয়ে পথ চলছেন সাংবাদিক মাহমুদুল হাসান রতন।
এ ব্যাপারে কথা হয় মাহমুদুল হাসান রতন এর সাথে, তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, আমি আমার এলাকার মানুষ জনকে ভালবাসি। আমি তাদের চেহারার দিকে তাকালে বলতে পারি তারা কি চায়। তারা কারও কাছে টাকা-পয়সা, বাড়ী-গাড়ী চায়না। চায় শুধু একটু শান্তিতে বসবাস করতে। নির্ভেজাল জীবন যাপন করতে। আর সেই লক্ষেই কাজ করার প্রত্যয় নিয়ে আমি জনপ্রতিনিধি হতে চাই। এক সময় শহর ছিল মাদকের অভয়াশ্রম। এখন শহর থেকে গ্রাম গঞ্জেই মাদকের ভয়াল তান্ডবে ধংশ হয়ে যাচ্ছে যুব সমাজ। মাদকব্যাবসায়ী ও মাদক সেবনকারীর বিরুদ্ধে হবে আমার প্রথম মিশন। পযার্য়ক্রমে ঝড়েপড়া শিশুদের স্কুলগামী করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া, পারিবারিককলহ নিরসনে যথাযোগ্য ব্যবস্থা নেওয়া, গরীব ও মেধাবী ছাত্র ছাত্রীদের সহযোগিতা করা, ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্পায়ন তৈরি করে অসহায় ও দরিদ্রদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা, রাস্তা ঘাট মেরামত করা, ইউনিয়ন পরিষদের বাজেট অনুযায়ী প্রত্যেকটি প্রকল্পের কাজ সুষমবণ্টন করা,ইউনিয়ন পরিষদে সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের উপস্থিত শতভাগ নিশ্চিত করাসহ সারাদেশের ন্যায় উন্নয়নের ছোঁয়ায় পরিপূর্ন করতে অবহেলিত বিশকাকুনী ইউনিয়নটিকে একটি আধুনিক যুগোপযোগী করে গড়ে তোলাই আমার লক্ষ ও স্বপ্ন। আর সেই লক্ষে ইউনিয়নবাসির সার্বিক সহযোগিতা ও সমর্থন আমার প্রত্যাশা।