ফেইস বুকে পূর্বধলা সরকারি কলেজের ভার:অধ্যক্ষকে নিয়ে মিথ্যা গুজবরটানোর অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা ও সংবাদ সম্মেলন

ফেইস বুকে পূর্বধলা সরকারি কলেজের ভার:অধ্যক্ষকে নিয়ে মিথ্যা গুজবরটানোর অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা ও সংবাদ সম্মেলন

পূর্বধলা নেত্রকোনা) প্রতিনিধি :ফেইসবুকে পূর্বধলা সরকারি কলেজের ভার: অধ্যক্ষ মোঃ আনোয়ারুল হক রতনকে নিয়ে  মিথ্যা গুজবরটানোর অভিযোগে একই কলেজের প্রাক্তন ছাত্র মোঃ রাজিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়।
 মামলাটি করেছেন পূর্বধলা সরকারি কলেজের ভার: অধ্যক্ষ মোঃ আনোয়ারুল হক রতন।
সোমবার সকালে পূর্বধলা সরকারি কলেজের ভার: অধ্যক্ষ মোঃ আনোয়ারুল হক রতন অফিস কক্ষে কলেজের পক্ষ থেকে সংবাদ সম্মেলন করেন।
 তিনি  বলেন, ঘাগড়া ইউনিয়নের মেঘশিমুল গ্রামের  মোঃ শামছুদ্দিনের ছেলে মোঃ রাজিবুল ইসলাম বিভিন্ন সময়ে বহিরাগত হিসাবে কলেজে প্রবেশ করে ছাত্রীদের  কমনরুমে প্রবেশ করে ছবি উঠায় এবং ক্লাসে ঢুকে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করে ছাত্র ছাত্রীদের উত্যক্ত ও বিরক্ত করে। এছাড়াও বিভিন্ন সময় অন্যায় সুপারিশ নিয়ে কলেজে আসে যাহা রক্ষা করা কলেজের নিয়মবর্হিভূত। আমি তার এ সমস্ত কাজের প্রতিবাদ করে তাকে কলেজে আসতে নিষেধ করায় সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমার এবং কলেজের সুনাম ব্যহত করার লক্ষ্্েয সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা তথ্য সম্বালত অশালিন ও কুরুচিপূর্ণ পোষ্ট দিয়ে আসিতেছে।
গত ১৪সেপ্টম্বর সকাল ১১ঘটিকার সময় রাজিবুল ইসলাম কলেজে প্রবেশ করার সময় কলেজ গেইটে দায়িত্ব পালন রত চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী মোঃ সাবিকুল ইসলাম, রাজিবুল কে  কলেজে প্রবেশ করতে নিষেধ করায় রাজিবুল ক্ষিপ্ত হয়ে অশ্লীল ভাষায় গালাগালি করে ও কিল ঘুষি মারিয়া জোরপূর্বক কলেজে প্রবেশ করে। এ সময় আমি রাজিবুলকে কলেজ হইতে চলে যাইতে বলিলে সে আমাকে হুমকি দিয়ে ফেইজবুকে লিখবে বলে কলেজ থেকে চলে যায়।
তিনি  আরো জানান,  বিভিন্ন সময়ে বহিরাগত হিসাবে কলেজে প্রবেশ করে ছাত্রীদের  কমনরুমে প্রবেশ করে ছবি উঠায় এবং ক্লাসে ঢুকে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করে ছাত্র ছাত্রীদের উত্যক্ত ও বিরক্ত করে। এছাড়াও ফেইস বুকে মিথ্যা  গুজবরটানো অভিযোগে রাজিবুল ইসলামের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে তার বিরুদ্ধে গত ১৪সেপ্টম্বর পূর্বধলা থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে  মামলা করা হয়েছে।
পূর্বধলা থানার ইন্সপেক্টর তদন্ত মিজানুর রহমান অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ওসি স্যার ছুটিতে আছেন, তিনি আসার পর এ ব্যাপারে যথাযথ আইনী ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।